পর্ন ইন্ডাস্ট্রির অজানা কিছু কথা

0

ফিচার ডেস্ক:

পর্ন ছবি নিয়ে বিশুদ্ধবাদীরা যতই নাক উঁচু করেন না কেন এই পর্ন ইন্ডাস্ট্রি যে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সেটা তথ্যই প্রমাণ করে। মানুষ পর্ন ছবির হাতছানিতে মাঝেমাঝেই ধরা দেয়, কিন্তু পর্দার ওপারে ঠিক কী ঘটে? সেই পর্ন ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে অজানা দশ তথ্যঃ

১০) পর্ন রোজগার- সাধারণ পুরুষ পর্ন অভিনেতারা ছবি প্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ ডলার বা প্রায় ৫০ হাজার টাকা রোজগার করেন। মহিলাদের ক্ষেত্রে রোজগারের অঙ্কটা দ্বিগুণ হয়। আর সমকামী পর্নের ক্ষেত্রে রোজগারটা সাধারণ ক্ষেত্রের ৩ গুণ হয়। তবে পর্নস্টার বা পর্ন তারকরা ঘণ্টায় ১ হাজার থেকে ৫ হাজার ডলার বা প্রায় ৪ লক্ষ টাকাও রোজগার করেন।

৯) পর্ন তৈরি- বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পর্ন সিনেমা তৈরি হয় আমেরিকায়। দু নম্বরে জার্মানি। আমেরিকায় সপ্তাহে গড়ে ৫০০টি ও জার্মানিতে ৪০০টি পর্ন সিনেমা তৈরি হয়।

৮) পর্ন আসক্তি- এক সমীক্ষায় প্রকাশ- ১০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ অনলাইনে পর্ন দেখাটা তাদের যে কোনও নেশাকে হার মানিয়েছে।

৭) পর্ন ও যৌন অপরাধ- সমীক্ষায় প্রকাশ, যে দেশে পর্নোগ্রাফিক সিনেমা দেখার বিষয়ে কোনও বাধা নিষেধ নেই সেখানে যৌন সহিংসতা বা অপরাধের সংখ্যা কম হয়।

৬) পর্ন হিসেব- আমেরিকায় প্রতি ৩৯ মিনিটে একটি পর্ন ছবি তৈরি হয়। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র দুটি রাজ্যে পর্ন ছবি তৈরিতে অনুমতি আছে।

৫) পর্ন ডট কম- গোটা বিশ্বে সাড়ে ৪ কোটি পর্ন ওয়েবসাইট আছে। দুনিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইটের প্রতি মাসে পেজ ভিউজ সিএনএন, ইএসপিএনের ৩ গুণ।

৪) পর্ন ব্যয়- প্রতি সেকেন্ড পর্নগ্রাফির পিছনে খরচ হয় প্রায় ৩ হাজার ডলার বা প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা।

৩) চাইল্ড পর্নোগ্রাফি- দুনিয়ার সেরা ২০টি উন্নত দেশ বলেছে তাদের দেশের সেরা দশটা বড় সমস্যার মধ্যে প্রথমের দিকে আছে শিশু বা চাইল্ড পর্নোগ্রাফি। ভারত শিশু পর্নোগ্রাফি রুখতে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হচ্ছে। বাংলাদেশেও শিশু পর্নোগ্রাফির বড় একটা র‌্যাকেট বছরখানেক আগে ধ্বংস করে দিয়েছে র‌্যাব। যার নেতৃত্বে ছিলো প্রখ্যাত লেখক টিপু কিবরিয়া।

২) পর্ন দেখা- যে কোনও মুহূর্তে বিশ্বের ৩০ হাজার মানুষ পর্নোগ্রাফিক সিনেমা দেখছেন। ৩৭২ জন মানুষ গুগল সার্চে লিখছেন অ্যাডাল্ট বা পর্ন জাতীয় সিনেমা বা ছবি।

১) শরীরী ব্যবসা- পর্ন ইন্ডাস্ট্রি হলিউড, গুগল, এনএফএল, ইয়াহু, ইবে, আমাজনের থেকেও অনেক বেশি বড় ও লাভবান। সেক্স ইন্ডাস্ট্রি (পর্ন সিনেমা, দেহব্যবসা, স্ট্রিপ ক্লাব, নারী পাচার) হল বিশ্বের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা।

জাপানে পর্ন পরিচালকদের সাম্প্রতিক টার্গেট:

গোপন কথাটি রবে গোপনে। এমনই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন পর্ন ছবির পরিচালকরা। নতুন মুখ খুঁজছে ইউরোপ ও জাপানের পর্ন-দুনিয়া। আর এবার তাদের টার্গেটে রয়েছে ব্রিটিশ তরুণীরা। গ্রীষ্মকালে ছুটির দিনে ব্রিটিশ রমণীদের ঠিকানা মাগালুফ। এখানেই জাল বিছিয়ে বসে আছেন পর্ন-পরিচালকরা। কোনও তরুণীকে ভাল লাগলেই সোজা প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে তাদের। ক্যামেরার সামনে নগ্নতা, তার পরিবর্তে ৫০,০০০ হাজার ডলারের লোভনীয় প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে।

ইতোমধ্যে এই শর্ত মেনে অনেক ব্রিটিশ রমণীই তাদের শরীর মেলে ধরেছে ক্যামেরার লেন্সের সামনে। ‘ফ্রেশ এয়ার মেক মি হর্নি’ এবং ‘মাগালুফ টিনস’ নামে দুটি ছবিও আপলোড করা হয়ে গিয়েছে পর্ন ওয়েবসাইটে। তবে শুধু টাকা নয়, ইচ্ছুক তরুণীদের ফ্রি-হলি-ডে প্যাকেজও দিচ্ছে এই সকল পর্ন- পরিচালকরা।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।