❝খালেদা-তারেকের খাম্বা যুগ শেষ, শেখ হাসিনার শতভাগ বিদ্যুতের বাংলাদেশ❞

0

সময় এখন:

সারাদিনে ১৪-১৫ ঘণ্টা লোডশেডিং, গ্রীষ্মে যা প্রকট আকার ধারণ করত। সেচের জন্য পাওয়া যেত না বিদ্যুৎ, ফলে ব্যাহত হতো কৃষি উৎপাদন। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় বিঘ্ন, সন্ধ্যা হতেই কেরোসিনের কুপি জ্বালাতে হতো। বিদ্যুতের দাবিতে রাস্তায় নেমে আসা কৃষকের ওপর নির্বিচারে চালানো হয় গুলি। প্রাণ যায় অন্তত ৩০ জনের। আহত হন শতাধিক।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের নাম দেখিয়ে ক্রয় করা হয় খাম্বা। সারাদেশে খাম্বা লাগানো হবে- এই মর্মে শুরু হয় সাগরচুরি। মোট খাম্বার ২৫% সরবরাহ করে লোপাট করা হয় হাজার হাজার কোটি টাকা- এই দুঃসহ স্মৃতি এখনও কোটি কোটি মানুষের মনে তাজা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত শাসনামলে দেশের বিদ্যুৎ খাতকে যেভাবে পিছিয়ে দেয়া হয়েছিল তা নজিরবিহীন, যা পৃথিবীর আর কোথাও দেখা যায়নি। ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে জনগণের ভোটে সরকার গঠন করে বিদ্যুৎ পেয়েছিলাম মাত্র ১৬শ মেগাওয়াট, চরিদিকে হাহাকার।

এদেশের অধিকাংশ মানুষের ঘরে আলো ছিল না। সেই অবস্থা থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য সর্বপ্রথম আইন করে আমরা বেরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করি এবং বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করে দেই। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই ১৬শ’ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৪ হাজার ৩শ’ মেগাওয়াটে নিয়ে যেতে সক্ষম হই।

সেইসাথে জেনারেটরের ওপর থেকে সকল ট্যাক্স তুলে দেই এবং শিল্প কারখানার মালিকদের বলে দেই আপনারাও আপনাদের মত বিদুৎ উৎপাদন করুন এবং সেই বিদ্যুৎ আশপাশে বিক্রিও করতে পারবেন। আমরা গ্রিড লাইন আপনাদের ভাড়া দেব।

কিন্তু, ২০০৯ সালে যখন আমরা সরকারে আসি তখন দেখি বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ যা আমরা রেখে গিয়েছিলাম তার থেকে কমে ৩ হাজার ২শ মেগাওয়াট হয়ে গেছে। পৃথিবীর আর কোন দেশের জনগণের এ ধরনের তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে বলে মনে হয় না। ৫ বছরে কোনো দেশ এভাবে পিছিয়ে যায় সেটাও আমার জানা ছিল না।

আজ দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। বিদ্যুতায়ন হয়েছে সব শহর, গ্রাম, চর, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা। স্বাধীনতার পর ২০০৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের জনগোষ্ঠীর ৪৭ শতাংশ বিদ্যুতের সুবিধা পেয়েছিল। এরপর গত এক যুগে বাকি ৫৩ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎসংযোগের আওতায় এসেছে।

এক যুগে এ অভাবনীয় সাফল্যের মাধ্যমে স্বাধীনতার ৫০ বছর এবং মুজিববর্ষ পূর্তিতে দেশের সব নাগরিককে বিদ্যুতের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করল সরকার।

গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণার মাধ্যমে শতভাগ বিদ্যুতের যুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে বিশ্বের ১৩তম আল্ট্রা-সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহারকারী দেশে পরিণত হল ৫০ বছর বয়সী বাংলাদেশ। গতকাল পটুয়াখালীর পায়রায় ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের (১ম পর্যায়) উদ্বোধন করে ‘মুজিব শতবর্ষে শতভাগ’ বিদ্যুৎ বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের নির্মাণাধীন অন্যান্য বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালু হলে যথাসময়েই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারব। সারা দেশে শিল্পায়নের ভারসাম্য রক্ষা হবে, দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং দারিদ্র্য দূরীকরণে সহায়ক হবে। মহামারির সময়েও দেশি-বিদেশি কর্মী, প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞদের নিরলস পরিশ্রমের ফলে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ নির্ধারিত সময়ে শেষ হওয়ায় আমি সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে আমরা সরকার গঠন করার পর বিদ্যুৎ পেয়েছিলাম ১৬০০ মেগাওয়াট, ২০০০-২০০১ অর্থবছরে তা ৪৩০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করেছিলাম। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি এবং সরকারি-বেসরকারি মিশ্রখাত সৃষ্টির জন্য আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করেছিলাম। পুরোনো প্লান্টগুলো পুনর্বাসনসহ ক্যাপ্টিভ পাওয়ার জেনারেশনের উদ্যোগ নিয়েছিলাম, যাতে ব্যবহারের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করতে পারে।

তাছাড়া, তাপবিদ্যুৎ, গ্যাস টারবাইন, জলবিদ্যুৎ, কম্বাইন্ড সাইকেল এবং পারমাণবিক শক্তির মাধ্যমে বহুমুখী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর দিয়েছিলাম। সে সময়ই আমরা ২০২০ সালের মধ্যে ‘সবার জন্য বিদ্যুৎ’ সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে ‘ভিশন স্টেটমেন্ট ও পলিসি স্টেটমেন্ট অন পাওয়ার সেক্টর রিফর্মস’ প্রণয়ন ও অনুমোদন করি। পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে ‘বাংলাদেশ নিউক্লিয়ার পাওয়ার অ্যাকশন প্লান-২০০০’ প্রণয়ন করি।

বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের মাধ্যমে ৫৪ হাজার ৪৮৯ কি.মি. বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন নির্মাণ করে ১৩ হাজার ৭১৩টি গ্রামকে বিদ্যুতায়িত করি এবং আরও ৩৪ হাজার গ্রামকে বিদ্যুতায়িত করার পরিকল্পনা নিই। আমরা ৩২ হাজার নতুন সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দিই।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে ২০২৩ সালের মধ্যে ২৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘোষণা দিয়েছিলাম। সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউঅ্যাবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (স্রেডা), বাংলাদেশ এনার্জি ও পাওয়ার রিসার্স কাউন্সিল (বিপিআরসি) এবং এ ক্ষেত্রে মানব সম্পদ উন্নয়নে ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছি।

২০৩০ সালের মধ্যে আমরা সঞ্চালন লাইন ২৮ হাজার ৩২০ সার্কিট কিলোমিটারে এবং বিতরণ লাইন ৬ লাখ ৬০ হাজার কিলোমিটারে উন্নীত করব। গ্রাহক সেবার মান বাড়াতে সকল সেবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে এবং পর্যায়ক্রমে সকল মিটার প্রিপেইডে রূপান্তরিত করব। ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আহরণ করা লক্ষ্যে কাজ করছি।

বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ৪ কোটি ২১ লাখের বেশি বিদ্যুৎসংযোগ রয়েছে, যার আওতায় জনগণের শতভাগ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছে। এক যুগ আগে বিদ্যুৎ গ্রাহকসংখ্যা ছিল ১ কোটি ৮ লাখ। এই মধ্যবর্তী সময়ে ২ কোটি ১৩ লাখ বিদ্যুৎসংযোগ বেড়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা ২৭টি থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৮টিতে।

দেশের যেসব স্থানে গ্রিডের বিদ্যুৎ সরাসরি পৌঁছানো যায়নি সেখানে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে সংযোগ এবং সোলার মিনিগ্রিডের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বিপুলসংখ্যক জনগণকে সংযুক্ত করার পর এখন টেকসই, নিরবচ্ছিন্ন এবং সাশ্রয়ী বিদ্যুৎসেবা নিশ্চিত করা হবে সরকারের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ, বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, দেশের বিদ্যুৎ উত্পাদন ক্ষমতা গত ১২ বছরে ৫ গুণ বেড়েছে। ক্যাপ্টিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিদ্যুৎসহ দেশে এখন উত্পাদন ক্ষমতা ২৫ হাজার ৫১৪ মেগাওয়াট। আরো ১৩ হাজার ২১৯ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন অবস্থায় আছে। ভারত থেকে বর্তমানে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, শুধু সাধারণ শহর বা গ্রাম এলাকার বাইরে দুর্গম চরাঞ্চল থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত পার্বত্য অঞ্চলে পৌঁছে গেছে বিদ্যুত। সাগরের তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন কেবল টেনে সংযোগ দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎলাইনের। আবার পার্বত্য অঞ্চলের যেসব স্থানে বিদ্যুতের লাইন নেওয়া দুঃসাধ্য সেখানে সোলার প্যানেল বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ বিদ্যুৎসেবার বাইরে কেউ নেই। প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও নির্দেশনায় এক যুগে যে গতিতে বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন ঘটেছে তা অভাবনীয়।

বিদ্যুৎ বিভাগের মতে, গত ১৩ বছরে সরকার বিদ্যুৎ খাতে যেসব উন্নয়ন করেছে তার মধ্যে রয়েছে- ৫ হাজার ২১৩ সার্কিট কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন নির্মাণ। এছাড়া মোট ৩ লাখ ৬১ হাজার কিলোমিটার বিতরণ লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে নতুন গ্রাহকের সংযোগ সাড়ে ৩ কোটি। গ্রাহক সংখ্যা শতভাগে পৌঁছেছে। মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন ২২০ কিলোওয়াট থেকে প্রায় ৫৬০ কিলোওয়াটে গিয়ে ঠেকেছে। পাশাপাশি সিস্টেম লস ৬ শতাংশে নামিয়ে আনতে পেরেছে।

এর বাইরে ৪৬ লাখ ৭৭ হাজার প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া আরও ১ কোটি প্রিপেইড মিটার প্রস্তুত। সেচ মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, সোলার হোম স্থাপন করা হয়েছে ৬০ লাখ।

বিদ্যুৎসচিব হাবিবুর রহমান বলেন, ভৌগলিক অবস্থান, যাতায়াত সব কিছু মিলিয়ে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল ও অজপাড়া-গাঁয়ে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর কাজটা সহজ ছিল না। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত এখনো শতভাগ জনগণকে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পারেনি।

সন্দীপ, হাতিয়া, মনপুরা কিংবা রাঙ্গাবালির মতো জায়গা যেখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা ঠিক নেই, রাস্তা নেই, সেতু নেই, সেখানেও মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি ছিল স্বপ্নাতীত। ঐ অঞ্চলের মানুষও একসময় বিশ্বাস করতে চাননি যে, তারা বিদ্যুৎ পাবেন।

বিচ্ছিন্ন হাতিয়া ও নিঝুম দ্বীপে ১৫ মেগাওয়াট কেন্দ্র নির্মাণ করে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওইসব এলাকার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পাল্টে গেছে। মানুষ বিদ্যুতের সুবিধা পেতে শুরু করেছে, বলেন সচিব।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) একাধিক কর্মকর্তা জানান, আগে বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন করে দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকতে হতো গ্রাহকদের। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তা হয়নি। সবাইকে বিদ্যুৎসেবার আওতায় আনতে মাঠপর্যায়ে কর্মীরা আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন। সব বিতরণ সংস্থা ও কোম্পানিগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য যত আবেদন পড়েছে সবগুলোতেই সংযোগ দেওয়া হয়েছে।

এর বাইরে যারা আবেদন করেননি তাদেরকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় অথবা এলাকায় এলাকায় মাইকিংসহ প্রচারণার মাধ্যমে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। যত নতুন স্থাপনা-বাড়ি-কারখানা উঠছে বা উঠবে তাতে যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার ধারবাহিকতা রক্ষা করে শতভাগ বিদ্যুতায়নের গৌরব অক্ষুন্ন রাখতে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে, বলেন সংশ্লিষ্টরা।

বিদ্যুৎ বিভাগের নীতি-গবেষণা সংস্থা পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, শতভাগ বিদ্যুতায়নের পথে অনেক বাধা ছিল। বিদ্যুৎ উত্পাদন থেকে বিতরণ পর্যন্ত নিয়োজিত সবাই একটি দল হয়ে কাজ করার ফলাফল হলো- নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এ অর্জন।

একনজরে দেশের বিদ্যুৎ খাত: দেশে ক্যাপ্টিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিদ্যুৎ উত্পাদন ক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৫১৪ মেগাওয়াটে। এক যুগে দৈনিক ২০ হাজার ৫৭২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উত্পাদন ক্ষমতা বেড়েছে। ১৩ হাজার ২১৩ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন এবং ৬ লাখ ২১ হাজার কিলোমিটারের বিতরণ লাইনের মাধ্যমে দেশ জুড়ে এ বিদ্যুৎসেবা পরিচালিত হচ্ছে।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।