নিজেকে বাংলাদেশিদের বন্ধু বললেন সিনেটর চাক শ্যুমার

0

প্রবাস ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিসহ এশীয় আমেরিকানদের বন্ধু সিনেটের মেজরিটি লিডার চাক শ্যুমার।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে বাংলাদেশিদের একটি সমাবেশে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

নিউ আমেরিকান ডেমোক্রেটিক ক্লাব, ইয়ুথ এবং ওমেন্স ফোরামের আয়োজনে ১০তম বাৎসরিক ডিনারের প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের মেজোরিটি লিডার চাক শ্যুমার।

কেবল তাই নয়, গোটা আয়োজনে অংশ নেন মূলধারার অনেক রাজনীতিবিদ ও নির্বাচিত প্রতিনিধি।

প্রভাবশালী এই সিনেটের বাংলাদেশিদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বলেন, আমেরিকার নীতি ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এই কমিউনিটির উপর তার পূর্ণ আস্থা আছে বলেও জানান।

নিউইয়র্কের ঐতিহ্যবাহী লাগোর্ডিয়া ম্যারিয়ট হোটেলে আয়োজিত এই জমকালো অনুষ্ঠানে সিনেটর শ্যুমার বলেন, এশিয়ান ও বাংলাদেশিদের ওপর কোনো ধরণের আক্রমণ মেনে নেয়া হবে না।

অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল বলেন, চাক শ্যুমারের মতো প্রভাবশালী একজন সিনেটর যেভাবে বাংলাদেশিদের প্রশংসা করলেন, সেটা বাংলাদেশিদের বড় অর্জন।

আয়োজকরা বলেন, বাংলাদেশিদের আমেরিকার রাজনীতিতে আরও বেশি সক্রিয় করতেই তাদের এই উদ্যোগ।

আয়োজকদের পক্ষে এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন মোরশেদ আলম এবং রুবাইয়া রহমান।

বাংলাদেশ থেকে সামুদ্রিক মাছ নিতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের সামুদ্রিক মাছ রপ্তানির উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রচুর বাগদা ও অন্যান্য চিংড়ি নিতে আগ্রহী উন্নত দেশগুলো। ক্রেতার অবকাঠামো উন্নয়ন ও মানসহ নানা বিষয়ে নিশ্চয়তা দেন মন্ত্রী।

বাংলাদেশে আহরিত হয় বিপুল পরিমাণে সামুদ্রিক মাছ। বিশেষ করে বাগদা চিংড়িসহ অন্যান্য মাছের সম্ভাবনা প্রবল।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাছ রপ্তানি করে অনেক বিদেশী মুদ্রা অর্জনের কথা থাকলেও, নানা কারণে এটি ব্যাহত হচ্ছিলো। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে আস্থা হারিয়েছিলো বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় মাছ। এতে ক্ষতি হয়েছে এই খাতের সঙ্গে জড়িত সবার।

বিশেষ করে কয়েক বছর আগে যুদ্ধাপরাধী সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বিডি সি ফুডের কন্টেইনারে করে বিপুল পরিমাণ হেরোইনের চালান যুক্তরাজ্যে আটক হওয়ার পর বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের সুনামহানি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হন নিরীহ অপর ব্যবসায়ীরা।

এরপর বাংলাদেশ সরকারের অব্যাহত প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক লবিংয়ের কল্যাণে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তরণ ঘটে।

ধীরে ধীরে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। এবার যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে নর্থ আমেরিকা সি ফুড এক্সপোতে যোগ দিয়ে তেমনটাই বলেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মন্ত্রী বলেন, অবকাঠামো নিশ্চিত করাসহ, কঠোরভাবে তদারকি করা হবে-সরকারের পক্ষ থেকে এবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে।

যে কারণে, সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য গ্লোবাল সি ফুড এলায়েন্সের প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ চেম্বারলিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কেবল তাই নয়, মন্ত্রী জানান, বিশ্ব বাজারে বাগদা চিংড়ির ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে থার্ড পার্টি সার্টিফিকেশন প্রবর্তনের জন্য গ্লোবাল সি ফুড অ্যালায়েন্সসহ সংশ্লিষ্টদের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।