বাংলাদেশ থেকে সামুদ্রিক মাছ নিতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

0

অর্থনীতি:

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের সামুদ্রিক মাছ রপ্তানির উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রচুর বাগদা ও অন্যান্য চিংড়ি নিতে আগ্রহী উন্নত দেশগুলো। ক্রেতার অবকাঠামো উন্নয়ন ও মানসহ নানা বিষয়ে নিশ্চয়তা দেন মন্ত্রী।

বাংলাদেশে আহরিত হয় বিপুল পরিমাণে সামুদ্রিক মাছ। বিশেষ করে বাগদা চিংড়িসহ অন্যান্য মাছের সম্ভাবনা প্রবল।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাছ রপ্তানি করে অনেক বিদেশী মুদ্রা অর্জনের কথা থাকলেও, নানা কারণে এটি ব্যাহত হচ্ছিলো। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে আস্থা হারিয়েছিলো বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় মাছ। এতে ক্ষতি হয়েছে এই খাতের সঙ্গে জড়িত সবার।

বিশেষ করে কয়েক বছর আগে যুদ্ধাপরাধী সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বিডি সি ফুডের কন্টেইনারে করে বিপুল পরিমাণ হেরোইনের চালান যুক্তরাজ্যে আটক হওয়ার পর বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের সুনামহানি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হন নিরীহ অপর ব্যবসায়ীরা।

এরপর বাংলাদেশ সরকারের অব্যাহত প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক লবিংয়ের কল্যাণে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তরণ ঘটে।

ধীরে ধীরে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। এবার যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে নর্থ আমেরিকা সি ফুড এক্সপোতে যোগ দিয়ে তেমনটাই বলেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মন্ত্রী বলেন, অবকাঠামো নিশ্চিত করাসহ, কঠোরভাবে তদারকি করা হবে-সরকারের পক্ষ থেকে এবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে।

যে কারণে, সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য গ্লোবাল সি ফুড এলায়েন্সের প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ চেম্বারলিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কেবল তাই নয়, মন্ত্রী জানান, বিশ্ব বাজারে বাগদা চিংড়ির ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে থার্ড পার্টি সার্টিফিকেশন প্রবর্তনের জন্য গ্লোবাল সি ফুড অ্যালায়েন্সসহ সংশ্লিষ্টদের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

আমেরিকায় ভয় ছড়াচ্ছে প্রাণঘাতী হার্টল্যান্ড ভাইরাস!

করোনা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে যখন উন্নতির দিকে যাচ্ছে, ঠিক তখনই নতুন আরেকটি প্রাণঘাতী ভাইরাস নিয়ে দৌড়ের ওপর আছে আমেরিকা। নাম- হার্টল্যান্ড ভাইরাস।

আমেরিকার ৬টি রাজ্যে এরিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। প্রতিদিনই বাড়ছে সংক্রমণ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে, করোনা ভাইরাসের উপসর্গের সঙ্গে অনেকটা মিল রয়েছে এর।

সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন- সিডিসি এই ভাইরাসটি নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে। ছড়িয়ে পড়া রাজ্যগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

জর্জিয়ার ইমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানান, এই ভাইরাস করোনার মতোই ভয়াবহ ও প্রাণঘাতী। দ্রুত গতিতে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস।

সংক্রমণ যে হারে ছড়াচ্ছে, মৃত্যুর হার তার তুলনায় কম। তবে বয়স্করা আক্রান্ত হলে তা বিপদজনক বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

জ্বর, মাথাব্যথা, নাক থেকে পানি পড়া, ডায়ারিয়া, হাতে-পায়ে ও গাঁটে গাঁটে ব্যথা- হার্টল্যান্ড ভাইরাসে আক্রান্তদের এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিচ্ছে।

প্রথম ২০০৯ সালে ভাইরাসটির খোঁজ পাওয়া যায়। পরে ২০২১ সালের মধ্যে জর্জিয়া, ইন্ডিয়ানা, আইওয়া, ক্যানসাস, কেনটাকিসহ ১১টি রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাস।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।