অশ্লীলতার প্রচারণায় প্রথম আলোর সম্পাদক!

0

বিশেষ প্রতিবেদন:

অশ্লীলতায় আত্মতৃপ্তির ঢেঁকুর তুললেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান। ওটিটি প্লাটফর্ম চরকি আয়োজিত ‘গুণিন’ সিনেমার প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে টান, শাটিকাপ, মরীচিকাসহ বেশ কিছু বিতর্কিত কনটেন্ট নিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন তিনি।

মতিউর রহমান বলেন, শাটিকাপ নামের ওয়েব সিরিজটি বেশ আলোচিত হয়েছে। চরকি গত ৮ মাসে ৮টি মৌলিক সিনেমা দিয়েছে। তারা প্রমাণ করেছে, তারা এক নম্বর। আমরা স্বপ্নপূরণের পথে রয়েছি। চরকি হবে সারা পৃথিবীর বাঙালির, বাংলা ভাষার এক নম্বর প্ল্যাটফর্ম। আশা করি, গুণিন একে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

বলে রাখা ভালো, চরকিতে মুক্তি পাওয়া টান, শাটিকাপ, মরীচিকাসহ বেশ কিছু কনটেন্ট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সমালোচনা তৈরী হয়েছে।

‘টান’ ওয়েব ফিল্মের পুরোটা জুড়ে মাদককে প্রমোট করা হয়েছে, খুন-সন্ত্রাসকে উপজীব্য করা হয়েছে। এই চলচ্চিত্রটি পরিবারের সবার একসঙ্গে বসে দেখার মতো অবস্থায় নেই। সেখানে সিয়ামকে দেখানো হয়েছে একজন মাদকাসক্ত, যিনি স্ত্রীর টাকা চুরি করেন।

অন্যদিকে এর আগে শাটিকাপ নামের একটি ওয়েব সিরিজে যে ভাষা ব্যবহার করেছে তা কখনই টেলিভিশন বা চলচ্চিত্রের ভাষা হতে পারে কি না, তা নিয়ে বোদ্ধাগণের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। অশ্লীল-অশ্রাব্য এবং উচ্চারণের অযোগ্য গালাগালির মধ্য দিয়ে এই ওয়েব সিরিজটি এগিয়ে গেছে। পুরো ওয়েব সিরিজের মধ্যে একটি শুদ্ধ এবং শ্রুতিমধুর বাক্য নেই।

অনেকেই এখন প্রশ্ন তুলছেন, তবে কী অশ্লীলতার প্রচারণায় মেনেছেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান?

শুধু তা-ই নয় অশ্লীল-অশ্রাব্য এবং উচ্চারণ অযোগ্য গালাগালির মধ্য দিয়ে কী তারা এক নাম্বারে নিয়ে যেতে চায়? অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন।

মালেক আফসারীকে ১০ কোটি টাকার মামলার হুঁশিয়ারি অরুণা বিশ্বাসের

থানায় সাধারণ ডায়েরির পর এবার ঢাকাই সিনেমার পরিচালক মালেক আফসারীর বিরুদ্ধে মানহানি মামলার হুঁশিয়ারি দিলেন অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস। এর আগে, কু-ইঙ্গিতপূর্ণভাবে কথা বলে ভিডিও প্রকাশের অভিযোগে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন এই অভিনেত্রী।

অরুণা বিশ্বাস গণমাধ্যমকে বলেছেন, বিষয়টি আমার জন্য চরম অপমানের। তিনি আমাকে নিয়ে এইসব বলতে পারেন না। কোনোদিনই দ্বিতীয় শ্রেণির নায়িকা ছিলাম না। যাত্রাসম্রাট অমলেন্দু বিশ্বাস ও জ্যোৎস্না বিশ্বাসের সন্তান আমি। যথেষ্ট শিক্ষা আছে আমার। বরং তার সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে অনেক নায়িকার সঙ্গেই অভিনয় করেছি। তাকে কিছু বলিনি, ভাই হিসেবে ক্ষমা করে দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, সিনেমার মানুষদের অনেকের কাছেই লাখ লাখ টাকা পাই- সেইসব কথা কেউ বলে না। তিনি প্রকাশ্য ক্ষমা না চাইলে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করবো। সবাইকে নিয়ে এমন বানোয়াট কথা বলা বন্ধ করতে হবে তাকে। কেউ কিছু বলে না বলে সাহস পেয়েছেন তিনি। এর শেষ দেখতে চাই।

যদিও এ বিষয়ে মালেক আফসারীর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।