শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসে ধর্ষণ: জামাই জেলে

0

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ের সদরে মানসিক প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণ মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে এক ব্যক্তিকে। মুখ্য বিচারিক আদালতে বিকেলে তোলা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

অভিযুক্তের নাম মকছেদুল ইসলাম। ৩৮ বছরের মকছেদুলের বাড়ি সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের কুমারপুর আবদালপাড়া এলাকায়। তাকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

এসব নিশ্চিত করছেন সদর থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীরুল ইসলাম।

মামলার বরাতে তিনি জানান, দৌলতপুরে মকছেদুলের শ্বশুরবাড়ি। ৪ জানুয়ারি তিনি সেখানে বেড়াতে আসেন। বিকেলে পাশের বাড়ির ওই যুবতীকে তার ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন মকছেদুল। যুবতীর চিৎকারে স্থানীয়রা মকছেদুলকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে যায়।

সকালে যুবতীর মা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

সাংবাদিক হত্যাচেষ্টা মামলায় ওয়ার্ড বয় গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক আহসান আলমকে হত্যাচেষ্টা মামলায় অভিযুক্ত ওয়ার্ড বয় রাসেল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শহরের মাথাভাঙ্গা সেতুর ওপর থেকে রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে গত রোববার চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল চত্বরে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক আহসান আলমকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে ওই ঘটনায় আহত সাংবাদিক বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।

সদর থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার দাস জানান, ঘটনার পরই আসামি রাসেলকে গ্রেপ্তারের অভিযান শুরু করে পুলিশের একাধিক টিম। গতকাল তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছেন রাসেল। সাংবাদিক আহসান আলমের চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত আছে।

সংবাদ সম্মেলনে সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীনসহ জেলার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, রোববার সকালে সদর হাসপাতালের একটি চায়ের দোকানে চা পান করছিলেন স্থানীয় দৈনিক পশ্চিমাঞ্চল পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার আহসান আলম। সংবাদ প্রকাশের জের ধরে এ সময় তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাঁশের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন ওয়ার্ড বয় রাসেল হোসেন।

এ সময় সাংবাদিকের আঙুলে থাকা একটি স্বর্ণের আংটি এবং ব্লেজারের পকেটে থাকা নগদ ২০ হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেন রাসেল।

পরে ওই দিন বেলা ২টার দিকে সদর থানায় হত্যাচেষ্টার মামলাটি করেন আহসান আলম। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানাতে থাকেন জেলার অন্য সংবাদিকরাও।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।