পিপিই পরে গুলশান ও ধানমন্ডিতে ডা’কাতির ঘটনা গুজব: পুলিশ

0

সময় এখন ডেস্ক:

পিপিই পরিধান করে রাজধানীর গুলশান ও ধানমন্ডিতে ডা’কাতির করার ঘটনাটি গুজব। দেশের বাইরে থেকে কয়েকজন ব্যক্তি ফেসবুকে এই গুজব ছড়াচ্ছে বলে ঢাকার ধানমন্ডি ও গুলশান থানা পুলিশ অভিযোগ করেছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর বলেন, এটা গুজব। একটি গ্রুপ এই গুজব ছড়াচ্ছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। তিনি নাগরিকদের বিভ্রা’ন্তি না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম কামরুজ্জামান বলেন, গুলশানে কারও ঢোকার সুযোগ নেই। পিপিই পরে ডা’কাতি এরকম গুজব আমরা জানতে পেরেছি। দেশের বাইরের বিভিন্ন ব্যক্তির ফেসবুক আইডি থেকে এই গুজব ছড়ানো হচ্ছে।

ফেসবুকের কোনও তথ্য যাচাই ছাড়া নাগরিকদের বিশ্বাস না করার অনুরোধ জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

অহেতুক বাইরে ঘোরাঘুরি, রাস্তায় বসিয়ে সাজা দিল পুলিশ

বরগুনা শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে আসায় এবং বাজারে ঘোরাঘুরি করার দায়ে ২ শতাধিক ব্যক্তিকে সড়কে বসিয়ে রেখে ব্যতিক্রমী সাজা দেওয়া হয়েছে। পরে সাজা পাওয়া সবাইকে বিনা প্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে ঘরে ফেরত পাঠানো হয়।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পৌর শহরের বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে বিনা প্রয়োজনে বাইরে আসা ব্যক্তিদের আটক করে সদর রোডে বসিয়ে রাখে পুলিশ।

বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শাহজাহান হোসেন বলেন, ইতোমধ্যে পুরো বাংলাদেশকে করোনা ভাইরাস সংক্র’মণের জন্য ঝুঁ’কিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু দিন ধরেই সাধারণ মানুষকে অহেতুক চলাফেরা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষ এতে কর্ণপাত করছে না।

এ অবস্থায় বরগুনা বাজারে মানুষের জনসমাগম এড়িয়ে চলার জন্য মাছ বাজার এবং কাঁচা বাজার, বরগুনা জিলা স্কুলের সুবিশাল মাঠে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এছাড়া শুক্রবার শহরের অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ ছিল। তারপরও কিছু মানুষ বাজারে ঘোরাফেরা করায় তাদের সড়কে বসিয়ে রাখা হয়। ভবিষ্যতে খুব জরুরি প্রয়োজন না হলে বাসার বাইরে আসবেন না মর্মে অঙ্গীকার করলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

Spread the love
  • 96
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    96
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।