চোখের মাধ্যমে যেভাবে শরীরে প্রবেশ করে করোনা ভাইরাস

0

লাইফ স্টাইল ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসের সংক্র’মণ ঠেকাতে মুখ, চোখ এবং নাক যতটা সম্ভব স্পর্শ না করে থাকতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। একই কারণে বারবার হাত ধোয়ার প্রতি জোর দেয়া হচ্ছে। কারণ এগুলোর মাধ্যমেই শরীরে ঢুকে পড়ে এই ভাইরাস।

সংক্রা’মক রোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, কোভিড-১৯ এ আক্রা’ন্ত মানুষের হাঁচি-কাশির ড্রপলেট (কণা) বাতাসে ঘুরে বেড়ায়। রোগীর কাছাকাছি থাকা সুস্থ মানুষের নাক, মুখ ও চোখের মাধ্যমে তার শরীরে প্রবেশ করে এই ড্রপলেট।

শরীরে এসেই ভাইরাসের অণুগুলো দ্রুত নাসাপথের পিছন দিকে বা গলার ভিতরের দিকে মিউকাস মেমব্রেনের ভিতরে গিয়ে সেখানকার কোষে ঢুকে পড়ে। সেই কোষই তখন হয়ে যায় গ্রাহক বা রিসেপ্টর কোষ। আর মুখ ও নাকের পর এই ভাইরাসের সংক্র’মণের অন্যতম মাধ্যম হলো চোখ।

মনের অজান্তে যখন-তখন হাত চলে যায় চোখে, সেখান থেকে শরীরে প্রবেশ করে। চোখে যাতে হাত দেয়া না হয় সে ব্যাপারে যত্নশীল হতে হবে প্রত্যেককে। তবে, করোনা নিয়ে অকারণ আত’ঙ্ক নয়, বরং নিয়ম মেনেই দূরে থাকুন।

চোখের মাধ্যেমে শরীরে প্রবেশ করে যেভাবে: বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চোখের অশ্রুগ্রন্থির সঙ্গে মিশে গিয়ে এই ভাইরাস চোখের নেত্রনালিতে চলে যায়। এরপর তা সরাসরি নাকে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকে শ্বাসতন্ত্রে যায় এবং সংক্র’মণ শুরু করে।

চোখ থেকে ফুসফুস: চোখের অশ্রুগ্রন্থি থেকে ট্রাকিয়া হয়ে ফুসফুসে পৌঁছায়। এর ফলে শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা তৈরি করতে পারে। শিকাগো স্কুল অব মেডিসিনের প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক সু-ইউয়ান জিয়াও চিনের করোনা-আক্রা’ন্ত রোগীদের রিপার্ট পরীক্ষা করেন। তার মতে, ফুসফুসের দুই পাশের পেরিফেরিয়াল অঞ্চলে আক্র’মণ করে উপরের শ্বাসানালী ও ট্রাকিয়ার দিকে ছড়িয়ে পড়ে ভাইরাস।

কন্টাক্ট লেন্সে ঝুঁ’কি: যারা কন্টাক্ট লেন্স পরেন তাদের কভিড-১৯-এ আক্রা’ন্ত হওয়ার ঝুঁ’কি বেশি। কারণ তারা অন্যদের তুলনায় বেশি করে চোখ স্পর্শ করেন। তাই কন্টাক্ট লেন্স যারা পরেন তারা যেন হাত বারবার করে পরিষ্কার করুন। লেন্স খোলা বা পরার সময় অবশ্যই হাত জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে। যে কোনো উপায়ে হাত যেন চোখে-মুখে না যায় সে ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। নিতান্তই চোখে হাত দিতে হলে টিস্যু পেপার ব্যবহার করা উচিত।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।