পাকিস্থানে ‘অন্তর্বাস’ দিয়ে তৈরি মাস্ক পাঠিয়ে দিয়েছে চীন!

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পাকিস্থানের ‘সব সময়ের বন্ধু’ চীন। দেশটি করোনা ভাইরাসের কবলে পড়া পাকিস্থানে শীর্ষমানের এন-৯৯ মাস্ক পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে এই মাস্কগুলো অন্তর্বাস থেকে তৈরি বলে মনে করা হচ্ছে। পাকিস্থানের একটি নিউজ চ্যানেল এ কথা জানিয়েছে।

পাকিস্থানের নিউজ চ্যানেলটির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এটা একটা উ’দ্ভট ঘটনা। চীন অন্তর্বাস থেকে মাস্ক তৈরি করে তার মিত্র দেশ পাকিস্থানে পাঠিয়ে চিকিত্সা সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে। এই সংবাদটির প্রতিবেদনে পাকিস্থানি চ্যানেলের অ্যাঙ্কর বলেছেন, ‘চায়না নে চুনা লাগা দিয়া’।

তিনি জানান যে, সিন্ধু প্রদেশ সরকার মাস্কগুলো চেক না করেই হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

এদিকে, একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন শুক্রবার পাকিস্থানকে দু’দিনের মধ্যে সীমান্ত একদিনের জন্য খুলে দিতে বলেছে, যাতে করোনা ভাইরাস মহামা’রি মোকাবিলায় চিকিত্সা সরবরাহ পৌঁছানো যায়।

পাকিস্থানি গণমাধ্যমের ডন জানিয়েছে, পাকিস্থানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে চীনা দূতাবাস একটি চিঠিতে বলেছে যে, চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলের গভর্নর গিলগিত-বালতিস্তানে চিকিত্সা উপকরণ দান করতে চান। সূত্র : রিপাবলিক

মৃ’ত্যুতে ইউরোপ-আমেরিকাকে ছাড়িয়ে যাবে ভারত, চিকিৎসকরা অ’সহায়!

করোনার এপিসেন্টার এখন ইউরোপ ও আমেরিকা। মৃ’ত্যুপুরীতে হয়েছে ইতালি, স্পেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেনসহ ইউরোপের অনেক দেশ। তবে প্রাণঘা’তী এই ভাইরাসের পরবর্তী এপিসেন্টার হয়ে উঠতে পারে ভারত।

মুম্বাইয়ে অবস্থিত এশিয়ার বৃহত্তম ধারাবি বস্তিতে করোনায় আক্রা’ন্ত হয়ে একজন মা’রা যাওয়ার পর দেশটির শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসকরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, করোনা ভাইরাসের সম্ভাব্য ব্যাপক সংক্র’মণ ঠেকানোর জন্য ভারতকে অবশ্যই প্রস্তুতি নিতে হবে। যথাযথ পদক্ষেপ না নেয়া হলে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভে’ঙে পড়ার পাশাপাশি করোনায় মৃ’ত্যুপরী ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যেতে পারে ভারত।

ধারাবি বস্তিতে ১০ লাখের বেশি মানুষের বসবাস। এই বস্তির প্রতি বর্গকিলোমিটারে মানুষের ঘনত্ব ২ লাখ ৮০ হাজার; যা যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের চেয়ে ৩ গুণ বেশি।

দেশটির চিকিৎসকরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ভারতের অসংখ্য বস্তির একটিতেও যদি করোনার স্থায়ী প্রা’দুর্ভাব শুরু হয়; তাহলে পরিস্থিতি একেবারে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। কারণ ভারতের অধিকাংশ বস্তিতে স্যানিটেশন এবং বিশুদ্ধ পানির সুব্যবস্থা নেই। এছাড়া হাজার হাজার মানুষ গাদাগাদি করে সেখানে জীবন-যাপন করেন। এসব বস্তিতে সামাজিক দূরত্ব শারীরিক কিংবা অর্থনৈতিকভাবে বজায় রাখা প্রায় অ’সম্ভব।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।