করোনা-কিট তৈরীর অনুমতি পায়নি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, জাফরুল্লাহর তথ্য ভুল: ও’ষুধ প্রশাসন

0

স্বাস্থ্য বার্তা ডেস্ক:

করোনা ভাইরাস পরীক্ষার কিট উৎপাদনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে অনুমতি দেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন ও’ষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস পরীক্ষার কিট তৈরির জন্য শর্তসাপেক্ষে তাদের কাঁচামাল আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে শুধু। ডা. জাফরুল্লাহ উৎপাদনের অনুমতি বিষয়ে যা বলছেন, তা ভুল। কারন উৎপাদনের অনুমতি দেয়ার বিষয়টি ও’ষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নেই।

করোনা ভাইরাস শনাক্তে কিট উৎপাদনে সরকারের অনুমোদন পেয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র’— বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফরহাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটি উল্লেখ করা হয়। সেখানে গণস্বাস্থ্যে কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আজ সরকারের কাছ থেকে করোনার কিট তৈরির অনুমোদন পেয়েছি। এর কাঁচামাল যুক্তরাজ্য থেকে আসতে ৭ দিনের মতো সময় লাগবে। কাঁচামাল এলেই আমরা উৎপাদনে যাব।

গত বুধবার (১৮ মার্চ) গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র করোনার কিট তৈরির ঘোষণা দেয়। প্রতিষ্ঠানটি থেকে দাবি করা হয়, স্বল্পমূল্যের ওই কিট দিয়ে মাত্র ১৫ মিনিটে করোনা শনাক্ত করা সম্ভব। ওই পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন ড. বিজন কুমার শীল। সাশ্রয়ী মূলে অর্থাৎ মাত্র ২০০ টাকায় এ কিট ব্যবহার করে করোনার পরীক্ষা করা যাবে বলে দাবি করে প্রতিষ্ঠানটি।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ও’ষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে ডা. জাফরুল্লাহর বরাতে ভুল তথ্য প্রচার হচ্ছে। কাঁচামাল আমদানির অনুমতি আর কিট উৎপাদনের অনুমতি এক কথা নয়। কাঁচামাল আমদানির পর তারা কিট উৎপাদনে সফল হলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করবে। বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাইসাপেক্ষে মানোত্তীর্ণ হলে তবেই অনুমতি প্রদান করা হবে।

বৃহস্পতিবার করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি ‘করোনা কিট উৎপাদনের অনুমতি প্রদান করা হয়েছে— এমন কোনো তথ্য জানা নেই’ বলে জানান।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।