সিকিমে পরিবেশ রক্ষায় পদক্ষেপ: প্লাস্টিকের বদলে বাঁশের বোতল!

0

ফিচার ডেস্ক:

প্লাস্টিকের ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করতে বাঁশের তৈরি একধরনের অভিনব পানির বোতল উদ্ভাবন করেছে ভারতের সিকিম রাজ্যের শহর ল্যাচেন।

প্লাস্টিকের প্রক্রিয়াজাত পানির বোতলের ব্যবহার রো’ধে এবং এ ধরনের পানির বোতলের বিকল্প হিসেবে অভিনব বোতলটি উদ্ভাবন করা হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়া টাইমস।

ইন্ডিয়া টাইমসের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবছর কয়েক লাখ ভ্রমণপিপাসু ভারতের অনন্য সুন্দর এই শহরটির মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন। এদেরমধ্যে অনেককেই যত্রতত্র পানির বোতল ফেলে দিতে দেখা যায়। এই পরিস্থিতি মাথায় রেখেই আসাম থেকে বাঁশের বোতল তৈরির নির্দেশ দেন সিকিমের মন্ত্রী হিসনে লাছুংপা।

এর আগে ১৯৯৮ সালে প্রথমবারের মতো প্লাস্টিকের পানির বোতল নি’ষিদ্ধ করতে পদক্ষেপ নেয় সিকিম। এরপর ২০১৬ সালে রাজ্যটির সরকারি অফিসগুলোতে প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহারে নিষে’ধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

এদিকে, প্লাস্টিকের বোতলের ব্যবহার ঠেকাতে ল্যাচেনে বেড়াতে আসা দর্শনার্থীদের গাড়ি আটকিয়ে বেশ কয়েকবার তল্লাশিও করা হয় বলেও ওই প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে ১ হাজার বাঁশের বোতল বানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আরও বাড়ানো হবে বোতলের সংখ্যা। এরপর বিস্কুটের প্যাকেটও নি’ষিদ্ধ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

করোনা ভাইরাস প্র’তিরোধে প্রতিটি জেলা-উপজেলায় কমিটি

দেশের অভ্যন্তরে সম্ভাব্য করোনা ভাইরাস প্রতিরো’ধে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়। রোববার (১ মার্চ) এ কমিটি গঠন করা হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে সোমবার (২ মার্চ) চিঠি পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। কারণ মাঠ প্রশাসন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীনে রয়েছে।

জেলা পর্যায়ে ১১ সদস্যের কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক (ডিসি)। অপরদিকে, উপজেলা পর্যায়ে ১০ সদস্যের কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জেলা কমিটিতে এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান উপজেলা কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবেন।

জেলা কমিটি করোনা ভাইরাস প্রতিরো’ধ সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবে। উপজেলা কমিটি জেলা কমিটির সঙ্গে সমন্বয় রেখে জাতীয় কমিটির নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবে।

জেলা ও উপজেলা কমিটি করোনা ভাইরাস প্রতিরো’ধের লক্ষ্যে সচেতনতা সৃষ্টি, প্রয়োজনে কোয়ারেন্টাইনসহ প্রয়োজনীয় আর্থিক ও লজিস্টিক সহায়তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

একই সঙ্গে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ জাতীয় কমিটির পরামর্শ গ্রহণ করবে জেলা-উপজেলা কমিটি।

জেলা কমিটিতে পুলিশ সুপার, মেডিকেল কলেজ/সদর হাসপাতালের পরিচালক বা তত্ত্বাবধায়ক, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা তথ্য কর্মকর্তা, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সদস্য হিসেবে রয়েছেন। সিভিল সার্জন জেলা কমিটিতে সদস্য সচিব থাকবেন।

উপজেলা কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন- থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট পৌর মেয়র, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা কমিটিতে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

Spread the love
  • 123
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    123
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।