হুন্দাই’র জন্য এসি তৈরি করছে ওয়ালটন, রপ্তানি হবে ভারতে

0

অর্থনীতি ডেস্ক:

ওয়ালটনের কাছ থেকে নিজেদের ব্র্যান্ডের নামে এসি তৈরি করিয়ে নিচ্ছে হুন্দাই। বাংলাদেশের ওয়ালটনের কারখানায় তৈরি করা এসব হুন্দাই ব্র্রান্ডের এসি রপ্তানি হবে প্রতিবেশী দেশ ভারতে।

রোববার গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত ওয়ালটনের ডিজি-হাইটেক কারখানায় এ সম্পর্কিত একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয় হুন্দাই ও ওয়ালটনের মধ্যে। চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

চুক্তি অনুসারে, হুন্দাই তাদের ব্র্যান্ডের নামে বা ‘হুন্দাই’ নামে ওয়ালটনের কারখানা থেকে এসব এসি তৈরি করিয়ে নেবে। যেখানে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে হুন্দাই। পরে এসিগুলো ভারতের বাজারে বিক্রির জন্য রপ্তানি করবে হুন্দাই।

রোববার ওই অনুষ্ঠানে ৩ মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম নূরুল আলম রেজভী, ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম আশরাফুল আলম, পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম, ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল আলম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মঞ্জুরুল আলম, ওয়ালটন গ্রুপের পরিচালক তাহমিনা আফরোজ তান্না, রাইসা সিগমা হিমা, রিফাহ তাসনিয়া স্বর্ণাসহ আরও অনেকেই।

হঠাৎ সারাদেশে সঞ্চয়পত্র কেনার হিড়িক!

পুঁজিবাজারে দৈ’ন্যদশা, ব্যাংক খাতে দুরবস্থার মধ্যেই হঠাৎ করে সঞ্চয়পত্র কেনার হিড়িক পড়েছে। চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রির পরিমাণ ২ হাজার ২৪০ কোটি টাকা; এই অঙ্ক গত ৭ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এর আগে গত বছরের জুলাই মাসে ২ হাজার ২১২ কোটি ৪৭ লাখ টাকার নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছিল।

অর্থনীতির গবেষক আহসান এইচ মনসুর বলছেন, আমানতের সুদের হার ৬ শতাংশে বেঁধে এবং ব্যাংক খাতের দুরবস্থার খবরে সবাই আবার ‘সবচেয়ে নিরাপদ’ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত সঞ্চয়পত্রে মুখ ফিরিয়েছে।

ব্যাংকগুলোর আমানতের সুদের হার কম এবং পুঁজিবাজারে দীর্ঘ ম’ন্দার কারণে গত কয়েক বছর ধরে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল সঞ্চয়পত্র বিক্রি। এতে সরকারের ঋ’ণের বোঝাও অ’স্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাচ্ছিল।

বিক্রির চাপ কমাতে গত বছরের ১ জুলাই থেকে সঞ্চয়পত্রে মুনাফার উপর উৎসে করের হার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়। একইসঙ্গে ১ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে টিআইএন (কর শনাক্তকরণ নম্বর) বাধ্যতামূলক করা হয়। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকলে সঞ্চয়পত্র বিক্রি না করার শর্ত আরোপসহ আরও কিছু কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে কমতে শুরু করে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।