ধ’র্ষণে বাধা দিতে গিয়ে মার খেলেন মাদ্রাসার ছাত্রীর বাবা-ভাই

0

বরগুনা প্রতিনিধি:

বরগুনা জেলার পাথরঘাটায় ধ’র্ষণের চেষ্টায় বাধা দেওয়ায় এক মাদ্রাসার ছাত্রীর বাবা ও ভাইকে পিটিয়ে জখম করেছে এক যুবক। গত শনিবার বিকালে উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের মঠেরখাল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

তাৎক্ষণিকভাবে ওই ছাত্রী, তার বাবা আলমগীর হোসেন ও ভাই আল আমিনকে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় আলমগীর হোসেনকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন চিকিৎসক।

ওই ছাত্রীর ফুফু গোলেনুর বেগম গণমাধ্যমকে জানান, বিকালে তার ভাতিজি মাঠে গরু আনতে গেলে স্থানীয় বাবুল আকনের ছেলে আল আমিন আকন জাপটে ধরে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দেয়। এ সময় তুমুল ধ্বস্তাধস্তি হয়। বাধা পেয়ে আল আমিন তাকে চড়থাপ্পড় দেয় এবং এক পর্যায়ে তার তলপেটে প্রচণ্ড লাথি মারে। যার ফলে তার প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

এ সময় তার আর্ত চিৎকার শুনে বাবা আলমগীর ও ভাই আল আমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে উপস্থিত হয়। তারাও এতে বাধা দেয় এবং প্রতিবাদ করলে তাদেরও পিটিয়ে আহত করে বাবুল আকন ও তার ছেলে আল আমিন আকন।

পাথরঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক জিয়া উদ্দিন বলেন, আহত ৩ জনের মধ্যে আলমগীর হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সিটি স্ক্যান না করা পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মেয়েটির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। এ ছাড়াও আলমগীর হোসেনের মাথায় ১৫টি ও আল আমিনের মাথায় ৭টি সেলাই দেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত বাবুল আকন জানান, আলমগীর হোসেনের সঙ্গে তাদের জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। ক্ষেতের বীজধানের ক্ষতি করেছিল আলমগীর হোসেনের গরু। এ নিয়ে তাদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি হয়। এতে তিনিও মাথায় আঘাত পান।

পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) সাইদুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Spread the love
  • 27
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    27
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।