সাবধান, ৯ ঘণ্টা বসে কাজ করলে অসময়ে মরবেন

0

লাইফ স্টাইল ডেস্ক:

বর্তমান প্রযুক্তি দিন দিন আমাদের কাজগুলোকে আরো বেশি সহজতর করছে। আজকাল বেশিরভাগ কাজ করা হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে। এতে করে বসে থাকার প্রবণতা বেড়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অফিসগুলোতে কর্মীদের ৮ থেকে ১১ ঘন্টার মতো সময় বসে কাটাতে হয়। ফলে নানান ধরণের শারীরিক সমস্যা সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে।

তাছাড়া দিনে সাড়ে ৯ ঘণ্টা বা তার বেশি বসে থাকলে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে বলে জানা গেছে। সম্প্রতি একটি ব্রিটিশ গবেষণায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

গবেষক দলের বরাতে ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত হয়, দিনে সাড়ে ৯ ঘণ্টা বা তার বেশি বসে থাকলে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে। তবে ঘুমের সময়কে এর মধ্যে ধরা হয়নি।

দ্য ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের মতে, ১৮ থেকে ৬৪ বছরের ব্যক্তিকে সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাল্কা শারীরিক কসরত ও ৭৫ মিনিট বেশ খাটনি করতে হবে।

একটানা বসে থাকলে শরীরের ৯টি অঙ্গ ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়- মাথা, হাত, পা, পায়ের পাতা, ঘাড়, পিঠ, ফুসফুস, পাকস্থলী এবং হার্ট। স্পেনের সান জর্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলছেন, খুব কম বিরতিতে একভাবে বসে কাজ করলে বা টিভি দেখলে টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায় ৯০ শতাংশ।

সমস্যা এড়াতে নিতে পারেন কিছু সতর্কতা:

১। অফিসে কাজ করার সময় কম্পিউটারের মনিটর রাখুন আপনার চোখ বরাবর। কাজ করার সময় মনিটর যদি খুব বেশি উঁচু বা নিচু থাকে তাহলে তা ঘাড় ও কাঁধে ব্যথা এবং হাড়ের জোড়ে সমস্যা হতে পারে।

২। কাজ করার সময় কাঁধ যেন আরামে থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। কাজ করার সময় কাঁধ বাঁকা না করে এবং বাহু ৯০ ডিগ্রি ভাবে সোজা রাখতে হবে। এতে কাঁধ ও ঘাড়ের ব্যথা এড়ানো সম্ভব।

৩। পিঠের মাঝামাঝি অংশে বালিশ বা অন্য কিছু দিয়ে ঠেস দিন। এতে পিঠ নিরাপদে থাকবে এবং পিঠ বাঁকাবে কম। ফলে পিঠ বা মেরুদণ্ডে ব্যথা হবে না।

৪। প্রতি আধ ঘণ্টা পর পর গলা ঘুরিয়ে এবং সম্ভব হলে নিজ সিট থেকে উঠে হাঁটাচলা করুন। এছাড়াও হাত মাথার উপরে এবং পাশে ঘুরিয়েও ব্যায়াম করা যায়।

Spread the love
  • 22
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    22
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।