সমুদ্রপথে পাকিস্থানের অ্যাটাক প্ল্যান, ভারতে সর্বোচ্চ সতর্কতা

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পাকিস্থানের জঙ্গি সংগঠন জইশ ই মোহাম্মদ সমুদ্রপথে ভারতে আ-ক্রমণ করার ছক কষছে। ভারতীয় গোয়েন্দাবাহিনীর কাছে এমন খবর রয়েছে। দেশটির নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল করমবীর সিং সোমবার (২৬ আগস্ট) এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন জইশ জলপথে হাম-লা চালানোর প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। তবে ভারতীয় বাহিনী সতর্ক রয়েছে এবং এ ধরনের কোনও হাম-লা হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

অ্যাডমিরাল সিং সাংবাদিকদের বলেন, আমরা খবর পেয়েছি জইশ ই মোহাম্মদের জলবাহিনী এখন জলপথে আক্রমণের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। কিন্তু আমরা সম্পূর্ণ সতর্ক রয়েছি এবং কড়া নজরদারি চালাচ্ছি। আমরা মানুষকে জানাতে চাই এ ধরনের যে কোনও চেষ্টা বিনাশ করা হবে। পুনেতে একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার পর এ কথা বলেন তিনি।

অ্যাডমিরাল সিং বলেন, ২০০৮ সালের ২৬-১১ হাম-লার পর উপকূলরক্ষার পূর্ণ দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে নৌবাহিনী। সমুদ্র থেকে কোনও রকম অনুপ্রবেশ হবে না সে আশ্বাস দিচ্ছে ভারতীয় নৌবাহিনী।

এর আগে বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল বি এস ধানোয়া বলেছেন, ভারতীয় বিমানবাহিনী সীমান্তে যে কোনও পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

ভারত-পাক সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা দেখে নিয়েছি ওরা কী পরিমাণ সেনা মোতায়েন করেছে। ভারতীয় বিমানবাহিনী সদা প্রস্তুত। আমরা আকাশ নিরাপত্তার ব্যাপারে দায়িত্ব প্রাপ্ত এবং সদা জাগ্রত। শুধু শত্রু পক্ষের বিমান নয়, দেশের বিমানের উপরেও আমরা নজর রাখছি যাতে পুরুলিয়া অ-স্ত্রবর্ষণের মত ঘটনা আর না ঘটে।

জম্মু কাশ্মীরে ৩৭০ ধারার আওতায় বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহৃত হওয়ার পর থেকে নিয়ন্ত্রণরেখা জুড়ে ভারী গু-লিবর্ষণ শুরু হয়েছে ভারত পাকিস্থানের মধ্যে। খবর- ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ভারতীয়দের জন্যে ৫০০ বছর পুরনো তীর্থস্থান খুলে দিল পাকিস্থান

পাকিস্থানের শিয়ালকোট শহরের ১৪০ কিলোমিটার দূরে আছে ৫০০ বছরের পুরনো শিখ তীর্থস্থান। তার নাম বাবে দে বের গুরুদুয়ারা। আগে ওই তীর্থস্থানে যেতে পারতেন না ভারতীয় তীর্থযাত্রীরা। সম্প্রতি তার দরজা ভারতীয় শিখদের জন্য খুলে দিয়ে নজির গড়েছে দেশটি।

এতদিন পাকিস্থান, ইউরোপের নানা দেশ, কানাডা ও আমেরিকার শিখ তীর্থযাত্রীরা ওই গুরুদুয়ারায় যাওয়ার অনুমতি পেতেন। সম্প্রতি পাঞ্জাবের গভর্নর মহম্মদ সারওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, এবার ভারতীয় তীর্থযাত্রীরাও ওই তীর্থস্থানে যাওয়ার অনুমতি পাবেন।

প্রতিবছর ভারত থেকে হাজার হাজার তীর্থযাত্রী পাকিস্থানে গুরু নানকের জন্মস্থান ও মৃত্যুর স্থানে তীর্থযাত্রা করতে যান। বৈশাখী উৎসব উপলক্ষেও পাকিস্থানে তীর্থ করতে যান অনেকে। ষোড়শ শতাব্দীতে গুরু নানক কাশ্মীর থেকে শিয়ালকোটে গিয়েছিলেন। সেখানে একটি গাছের তলায় বিশ্রাম করেন। পরে সর্দার নাথা সিং সেখানে একটি গুরুদুয়ারা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

২০১৮ সালের নভেম্বরে ভারত ও পাকিস্থান কর্তারপুর করিডোর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর জেলার ডেরা বাবা নানক থেকে পাকিস্থানের কর্তারপুরে গুরু নানকের সমাধিস্থল পর্যন্ত একটি রাস্তা তৈরি হচ্ছে। ভারতীয় তীর্থযাত্রীরা ভিসা ছাড়াই ওই পথ দিয়ে কর্তারপুর সাহিবে যেতে পারবেন।

Spread the love
  • 70
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    70
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।