ব্ল্যাক ম্যাজিকের প্রভাবে সুষমা স্বরাজ ও অরুণ জেটলির মৃত্যু!

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বিজেপি নেতাদের ক্ষ-তি করতে তাদের বিরু-দ্ধে জাদুটোনা বা ব্ল্যাক ম্যাজিক করছে বিরোধীরা। এমনকি, সুষমা স্বরাজ, অরুণ জেটলি বা বাবুলাল গৌড়ের মতো নেতা-নেত্রীর সাম্প্রতিক মৃ-ত্যুর পিছনেও রয়েছে বিরোধীদের অশুভ শক্তি।

এমন মন্তব্য করে ফের বিতর্কে ভোপালের সাংসদ প্রজ্ঞা সিংহ ঠাকুর ওরফে সাধ্বী প্রজ্ঞা। তার এই মন্তব্যের পর স্বাভাবিকভাবেই চরম অস্বস্তিতে বিজেপি নেতৃত্ব। নিন্দায় সরব হয়েছে কংগ্রেস।

সোমবার ভোপালে সদ্যপ্রয়াত প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এবং মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল গৌড়ের স্মরণে একটি শোকসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে ওই নেতাদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করতে গিয়ে সাংসদ তথা মালেগাঁও বিস্ফোরণকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত প্রজ্ঞা বলেন, ‘‘লোকসভা ভোটের সময় এক মহারাজজি আমাকে প্রার্থনাশক্তি বাড়াতে বলেছিলেন, কারণ দুঃসময় আসছে। আর বিজেপির ক্ষতি করার জন্য বিরোধীরা ‘মরকশক্তি’ প্রয়োগ করছে।’’

কে সেই মহারাজ? প্রজ্ঞার দাবি, তার নাম ভুলে গিয়েছেন তিনি। তবে প্রজ্ঞা আরও দাবি করেছেন, আমি ভুলে গিয়েছিলাম তিনি (মহারাজ) ঠিক কী বলেছিলেন, তবে সুষমাজি, বাবুলালজি, জেটলিজির মতো আমাদের একের পর এক শীর্ষ নেতা যখন প্রবল কষ্ট পেয়ে অসময়ে চলে যাচ্ছেন, তখন মনে হচ্ছে, মহারাজজি কি ঠিক বলেননি?

সেই সঙ্গে প্রজ্ঞার আরও মন্তব্য, আপনারা এ কথাগুলো বিশ্বাস করতেও পারেন বা না-ও পারেন, তবে তাতে সত্যিটা বদলে যাবে না!

সমুদ্রপথে পাকিস্থানের অ্যাটাক প্ল্যান, ভারতে সর্বোচ্চ সতর্কতা

পাকিস্থানের জঙ্গি সংগঠন জইশ ই মোহাম্মদ সমুদ্রপথে ভারতে আ-ক্রমণ করার ছক কষছে। ভারতীয় গোয়েন্দাবাহিনীর কাছে এমন খবর রয়েছে। দেশটির নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল করমবীর সিং সোমবার (২৬ আগস্ট) এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন জইশ জলপথে হাম-লা চালানোর প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। তবে ভারতীয় বাহিনী সতর্ক রয়েছে এবং এ ধরনের কোনও হাম-লা হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

অ্যাডমিরাল সিং সাংবাদিকদের বলেন, আমরা খবর পেয়েছি জইশ ই মোহাম্মদের জলবাহিনী এখন জলপথে আক্রমণের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। কিন্তু আমরা সম্পূর্ণ সতর্ক রয়েছি এবং কড়া নজরদারি চালাচ্ছি। আমরা মানুষকে জানাতে চাই এ ধরনের যে কোনও চেষ্টা বিনাশ করা হবে। পুনেতে একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার পর এ কথা বলেন তিনি।

অ্যাডমিরাল সিং বলেন, ২০০৮ সালের ২৬-১১ হাম-লার পর উপকূলরক্ষার পূর্ণ দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে নৌবাহিনী। সমুদ্র থেকে কোনও রকম অনুপ্রবেশ হবে না সে আশ্বাস দিচ্ছে ভারতীয় নৌবাহিনী।

এর আগে বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল বি এস ধানোয়া বলেছেন, ভারতীয় বিমানবাহিনী সীমান্তে যে কোনও পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

ভারত-পাক সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা দেখে নিয়েছি ওরা কী পরিমাণ সেনা মোতায়েন করেছে। ভারতীয় বিমানবাহিনী সদা প্রস্তুত। আমরা আকাশ নিরাপত্তার ব্যাপারে দায়িত্ব প্রাপ্ত এবং সদা জাগ্রত। শুধু শত্রু পক্ষের বিমান নয়, দেশের বিমানের উপরেও আমরা নজর রাখছি যাতে পুরুলিয়া অ-স্ত্রবর্ষণের মত ঘটনা আর না ঘটে।

জম্মু কাশ্মীরে ৩৭০ ধারার আওতায় বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহৃত হওয়ার পর থেকে নিয়ন্ত্রণরেখা জুড়ে ভারী গু-লিবর্ষণ শুরু হয়েছে ভারত পাকিস্থানের মধ্যে। খবর- ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Spread the love
  • 11
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    11
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।