বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রী ও পদ্মা সেতু নিয়ে গুজব, শিক্ষকসহ গ্রেপ্তার ২

0

বগুড়া প্রতিনিধি:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও পদ্মা সেতু নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বগুড়ার সাইবার ক্রাইম ইউনিট।

সোমবার (৫ আগস্ট) সকালে কলেজ শিক্ষক ও আইটি বিশেষজ্ঞসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করার পর তাদের বিরু-দ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার পর আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বগুড়া শহরের ঝোপগাড়ি এলাকার বাসিন্দা সোনাতলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মাসুদুর রহমান টিটু (৪৮) এবং আদামদীঘি উপজেলার পশ্চিম ছাতনী গ্রামের আইটি বিশেষজ্ঞ বেনজুর আহম্মেদ (২৮)।

বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূইয়া বিপিএম জানান, সাইবার পুলিশের মনিটরিং সেল একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট শুভেচ্ছা রহমান এবং একটি ফেসবুক পেজ সুন্দর ও বিষ্ময়কর ভিডিও অপটাইম টিভি থেকে গুজব ছড়ানোর তথ্য ও প্রমাণ পাওয়া যায়। শুভেচ্ছা রহমান ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বলা হয় ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষকে গুম করাচ্ছে। সুন্দর ও বিষ্ময়কর ভিডিও অপটাইম টিভি থেকে পদ্মা সেতু তৈরিতে হাজার হাজার মানুষের মাথা প্রয়োজন বলে গুজব ছড়ায়।

সাইবার ইউনিটের পক্ষ থেকে তদন্তকালে আরও দেখা যায় যে, শুভেচ্ছা রহমান ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এর প্রোফাইল জুড়ে বিভিন্ন ধরণের উস্কানীমূলক পোস্ট রয়েছে। সরকারকে নিয়ে নানা ধরণের ক-টুক্তিকর কথাবার্তাও করা হয়েছে। পুলিশকে গা-লিগালাজ করা নানা ধরণের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে।

সুন্দর ও বিষ্ময়কর ভিডিও অপটাইম টিভিতে গত ৯ জুলাই একটি পোস্ট করা হয়। ভিডিও পোস্টে বলা হয় পদ্মা সেতুর জন্য মাথা সংগ্রহ করতে বাচ্চা চুরি করার সময় ধরা খেল মহিলা। এই ভিডিওটি রাতারাতি ১ লাখ ৫ হাজার বার সিন হয়। ২ হাজার ৮’শ ৩৮ বার শেয়ার হয়।

বগুড়া সাইবার ক্রাইমের ইন্সপেক্টর এমরান মাহমুদ তুহিন জানান, শুভেচ্ছা রহমান অ্যাকাউন্টের আসল নাম মাসুদুর রহমান টিটু। আর সুন্দর ও বিষ্ময়কর ভিডিও অপটাইম টিভি পেজের এডমিন হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ বেনজুর আহম্মেদ। তাদেরকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করার পর জিজ্ঞা-সাবাদকালে অপরাধের কথা স্বীকার করে নেন। পরে তাদেররকে আদালতের মাধ্যমে জেলা হাজতে পাঠানো হয়।

Spread the love
  • 1.3K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    1.3K
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।