নোবেলকে সামনে পেলে চাবকাতাম- বললেন কলকাতার শিল্পী ইমন

0

বিনোদন ডেস্ক:

সম্প্রতি ভারতীয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল জি বাংলার সঙ্গীত বিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সারেগামা’ এর মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশি শিল্পী নোবেলের জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে করা একটি বিতর্কিত মন্তব্যের ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল হয়েছে।

আর এই স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনাও হচ্ছে প্রচুর। এর মধ্যে কলকাতার নন্দিত কণ্ঠশিল্পী ইমন চক্রবর্তীও তার তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন। ফেসবুক পোস্টে নোবেলকে সামনে পেলে মার দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন তিনি৷

ইমন কলকাতার জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। অনুপম রায়ের ‘তুমি যাকে ভালোবাসো, স্নানের ঘরে বাষ্পে ভাসো…’ গানটি গেয়ে ব্যাপক আলোচিত হন ইমন।

সম্প্রতি জি বাংলার রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’ শেষ হয়েছে। তাতে ৩য় হয়েছেন প্রতিযোগী নোবেল। যদিও তার গুণমুগ্ধরা এই ফলাফলে মোটেও খুশি নন। অনেকের দাবি, নোবেলের সঙ্গে নাকি সুবিচার করেনি ওই চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। কৃতিদের যোগ্যতা নির্ণয়ও সঠিকভাবে হয়নি বলেই দাবি নোবেলের অনুরাগীদের।

সঞ্চালকের সঙ্গে কথোপকথন চলাকালীন স্বভাবতই উঠে আসে রবীন্দ্রনাথের প্রসঙ্গ। আর তখনই নোবেল বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথের লেখা জাতীয় সঙ্গীত ‘‘আমার সোনার বাংলা’’ যতটা না দেশকে এক্সপ্লেইন করে তারচেয়ে কয়েক হাজার গুণে এক্সপ্লেইন করে প্রিন্স মাহমুদ স্যারের লেখা এই (বাংলাদেশ) গানটা।’ এমনকী এই গানটিই বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হোক, এমন দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে মিছিলও হয়েছিল বলে একটি উদ্ভট ও মিথ্যা দাবি করেন নোবেল।

নোবেলের এমন মন্তব্যের বিরো-ধিতায় সুর চড়িয়েছেন শিল্পী ইমন চক্রবর্তী। সাক্ষাৎকারটি দেখার পর নোবেলকে ‘চাবকাতে’ ইচ্ছা করে বলেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্টও করেছেন। তিনি ভিডিওটি পোস্ট করে তার ক্যাপশনে লেখেন, ‘সরি টু সে একে সামনে পেলে চবকাতাম।’

ভারতের গণমাধ্যমকে ইমন বলেন, ‘শুধুই যে নোবেল বাংলাদেশকে অ-পমান করেছেন, জাতীয় সঙ্গীতের অবমা-ননা করেছেন এমন নয়, বাঙালির সাংস্কৃতিক আত্ম্যাভিমানে আঘা-ত করেছেন। একজন শিল্পী হিসেবে আমি এর প্রতিবাদ করেছি।’

পাশাপাশি ইমন আরও জানান, নোবেল তার থেকে বয়সে অনেকটাই ছোট। তাই দিদির মতো তাকে শাসন করতে চেয়েছেন।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।