জামালপুরে মাদ্রাসায় বলাৎ-কারের শিকার ৬ শিক্ষার্থী, শিক্ষক পলাতক

0

জামালপুর প্রতিনিধি:

জামালপুরের মাদারগঞ্জে মুসতানির ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি নামে এক মাদ্রাসায় বলাৎ-কারের শিকার হয়েছে অন্তত ৬ জন শিশু শিক্ষার্থী। ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর পালিয়েছে অভিযুক্ত আরবি শিক্ষক মাওলানা ইয়াকুব আলী খোকন।

আভিভাবকদের চাপের মুখে শনিবার আবাসিক শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে মাদ্রাসা তালাবদ্ধ করে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, মাদারগঞ্জ উপজেলা চত্ত্বর এলাকায় ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত মুসতানির ইন্টারন্যাশনাল একাডেমির ২৬ জন আবাসিক শিক্ষার্থীসহ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী পড়ালেখা করে। শনিবার আভিভাবকরা মাদ্রাসায় গেলে আরবি শিক্ষক ইয়াকুব আলী খোকন কর্তৃক শিক্ষার্থীদের বলাৎ-কারের ঘটনা প্রকাশ হয়।

ওই মাদ্রাসার ৫ম শ্রেণির এক আবাসিক শিক্ষার্থী জানায়, মাদ্রাসার ছাত্রবাসের পাশেই রাতে ঘুমাতেন শিক্ষক ইয়াকুব আলী খোকন। তার অ-সভ্য আচরণের ব্যাপারে শিক্ষার্থীরা অন্য শিক্ষকদের কাছে অভিযোগও করেছে। তারপরও ইয়াকুব আলী ছাত্রদের সাথে কু-কর্ম চালিয়ে যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আবাসিক শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানান, গত ৬-৭ মাস ধরে ইয়াকুব আলী তাদের সন্তানদের নি-র্যাতন করে আসছে। ভয়ে শিশু সন্তানরা কিছু বলেনি। শনিবার একজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে তার মাকে ঘটনা বলে দেয়।

ঘটানা প্রকাশের পর প্রতিষ্ঠানের প্রধান মীর ছানাউল্লাহ্ অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মাদারগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিনুল ইসলাম জানান, তিনি ওই মাদ্রাসায় পুলিশ পাঠিয়েছেন। তারা এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবে।

মসজিদের ভেতরেই ২য় শ্রেণীর ছাত্রী ধ-র্ষণ, ইমাম পলাতক

কক্সবাজারের উখিয়ায় এবার মসজিদের ইমামের বিরু-দ্ধে ২য় শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে মসজিদের ভেতরে ধ-র্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুরে উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ডেইল পাড়ায় ঘটেছে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা।

শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ডেইল পাড়া সরকারি প্রাইমারি স্কুলের ২য় শ্রেণির এক ছাত্রী দুপুর ১২টায় স্কুল থেকে ঘরে ফিরছিল। পথিমধ্যে ডেইল পাড়া জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ নুরুল আমিন তাকে মসজিদ ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে মসজিদে নিয়ে যায়। পরে মসজিদের ভেতর নিয়ে ইমাম তাকে ধ-র্ষণ করে।

ঘটনার পর শিশুটি মসজিদ থেকে বের হয়ে কাঁদতে কাঁদতে করে ঘরে গিয়ে বাবা-মাকে একথা জানায়। পরে স্থানীয় ইউপি মেম্বার শালিশে বসে ইমামকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন। কিন্তু ততক্ষণে ধ-র্ষক ইমাম পালিয়ে যান।

এ ব্যাপারে উখিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো. নুরুল ইসলাম মজুমদার ও উপপরিদর্শক মিল্টন জানান, পুলিশ খবর পেয়ে ধ-র্ষক ইমামকে আটকের জন্য অভিযান শুরু করেছে।

Spread the love
  • 737
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    737
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।