পোস্তগোলায় স্থাপনা উচ্ছেদে প্রভাবশালীদের বাধা, আটক ৩

0

সময় এখন ডেস্ক:

ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর অ-বৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে কর্মকর্তাদের আবারো বাধা দিয়েছে দখলদাররা। এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে বাধার মুখেও পুলিশি পাহারায় সেখানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকালে পোস্তগোলা শ্মশানঘাট এলাকায় অভিযান কার্যক্রম পরিচালনার সময় বাধা দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পোস্তগোলা শ্মশানঘাট এলাকায় অ-বৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডাব্লিউটিএ)। তবে অভিযান শুরুর আগেই স্থানীয় প্রভাবশালী ইব্রাহিম আহমেদ ওরফে রিপন তার কয়েকশ অনুসারীকে নিয়ে শ্মশানঘাট এরাকায় অবস্থান নেন। অভিযান শুরুর পরপরই কর্মকর্তাদের ওপর চড়াও হন তারা।

একপর্যায়ে বিআইডাব্লিউটিএ’র নির্বাহী হাকিম মোস্তাফিজুর রহমান, বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দীনসহ অন্তত ৬ জনকে শারীরিকভাবে লা-ঞ্ছিত করেন তারা। অভিযানে থাকা পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অনেকে। হামলার সময় পুলিশ সদস্যদের নির্লিপ্ত থাকতে দেখা যায়। পরে ওই ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এখন পুলিশি পাহারায় এখানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

নির্বাহী হাকিম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গত ২৯ জানুয়ারি থেকে ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর অ-বৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালানো হচ্ছে। আজ এই অভিযান কার্যক্রমের ৪২ তম দিন। কোনো দখলদার এমন উদ্ধত আচরণ করেননি। গতকাল ও আজ এমন বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। তবে মূল হোতা পালিয়ে গেছে। তার সহযোগী ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, পোস্তগোলা শ্মশানঘাট এলাকায় নদী ভরাট করে দীর্ঘদিন ধরে বালুর ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন স্থানীয় প্রভাবশালী ইব্রাহিম আহমেদ। গতকাল বুধবার বিকেলে বালুর ওই গদি অপসারণ করতে গেলে বিআইডব্লিউটিএ-কে বাধা দেওয়া হয়।

বিআইডাব্লিউটিএ-এর বক্তব্য অনুযায়ী, পোস্তগোলা শ্মশানঘাট ও এর আশপাশের এলাকায় শুল্ক আদায় ও মালামাল ওঠানামার জন্য স্থানীয় ইকবাল আহমেদকে ইজারা দেওয়া হয়েছিল। ইকবাল স্থানীয় প্রভাবশালী ইব্রাহিম আহমেদের ছোট ভাই। এর আগেও তার বাধার কারণে সেখানে অভিযান কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়।

Spread the love
  • 279
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    279
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।