নারীদের স্তন কেটে বিক্রির বীভৎস ব্যবসা, যত বড় তত দাম! (ভিডিও)

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

নারীদের স্তন কেটে নিয়ে তা বিক্রি করে দিতো এক লোক। কেনিয়ার নাইরোবিতে ২ বছর ধরে এ ঘটনা ঘটিয়েছে সেই অপরাধী। তার নাম বোনিফেস কিমানায়ানো। যত বড় হতো স্তনগুলো তত ভালো দাম পাওয়া যেত। স্তনগুলোর আকারের উপর নির্ভর করে মূ্ল্য প্রদান করা হতো।

তবে সে এখন এ ধরনের অপকর্ম থেকে বেরিয়ে এসেছে। এ ঘটনা কেনিয়ার পুরো জাতিকে আতঙ্কিত করে তুলেছিল।

সংবাদমাধ্যম কেটিএন-কে দেওয়া একটি এক্সক্লুসিভ সাক্ষাত্কারে বোনিফেস কিমানায়ানো এসব কথা জানায়। সে যেসব নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতো তাদের বেশিরভাগই ছিলেন যৌনকর্মী। সম্পর্ক তৈরী করার পর ওই নারীদের স্তন কেটে ফেলত সে।

কিমানায়ানো বলে, আমরা শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে নারীদের তুলে আনতাম এবং অর্থের বিনিময়ে তাদের স্তন কেটে নিতাম। আমরা বেশিরভাগ অভিযান চালাতাম কোয়েনাঞ্জ স্ট্রিট এবং শহরের কেন্দ্রস্থলে, যেখানে যৌন কর্মীরা অবাধে চলাফেরা করতেন। নারীদেরকে স্তন কেটে বিক্রি করার আগে আমরা তাদেরকে ফাঁদে ফেলতাম। আমরা ‘ফ্লেক্সর’ নামের একটি ব্যাথানাশক রাসায়নিক ব্যবহার করে নারীদের ঘুম পাড়িয়ে দিতাম। এরপর তাদের স্তন কেটে ফেলতাম।

মাংসপেশীর ব্যথায় চিকিত্সার ক্ষেত্রে ‘ফ্লেক্সর’ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু যদি এর অপব্যবহার করা হয় তবে মাথা ঘোরা এবং সংজ্ঞানাশ হতে পারে।

কিমানায়ানো বলে, কিছু লোক ছিল আমাদের নির্দেশদাতা। তাদের মতে, এটি একটি খুবই লাভজনক ব্যবসা। আমাদের কাজ ছিল কেবল স্তন সংগ্রহ করা এবং ‘বডি ব্রোকার’দের কাছে সেগুলো পৌঁছে দেওয়া। স্তনগুলোর আকার অনুযায়ী স্থানীয় মুদ্রায় ১ লাখ থেকে ১ লাখ ২০ হাজারে বিক্রি করা হতো। যত বড় হতো স্তনগুলো তত ভালো হতো আমাদের জন্য। আকারের উপর নির্ভর করে আমাদেরকে মূ্ল্য প্রদান করা হতো।

কিমানায়ানো স্বীকার করে, ওই কাজ করে তাদের উপার্জন ভালই ছিল। কিন্তু সে নিজের হাতে নারীদের ওই কষ্টভোগ দেখে মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছিল। তবে সে ওই কাজ করেছিল ড্রাগের খপ্পরে পড়ে। ‘ব্লু মার্সিডিজ ড্রাগস’ বা ‘রেড ডেভিলস পিলস’ গ্রহণ করার পরে যেকোনো কিছু করা সম্ভব (এই ড্রাগস বোধশক্তি নষ্ট করে ফেলে)।

তবে কয়েক মাস পরে ওই গ্যাং সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়। মানবদেহের গোপনাঙ্গসহ বিভিন্ন অংশ প্রধান হাসপাতগুলোতে বিক্রির অপরাধে তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়। এরপর থেকে ওই বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়।

কিমানায়ানো জানায়, আমার সঙ্গীদের বেশিরভাগই ২০১৬ সালে গ্রেপ্তার হয়েছে। নগরের একটি হাসপাতালে মানবদেহের অঙ্গ-প্রতঙ্গ বিক্রি হচ্ছে- এমন একটি খবর প্রকাশিত হওয়ার পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সূত্র: স্ট্যান্ডার্ড ডিজিটাল

Spread the love
  • 135
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    135
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।