সিআইএ’র এজেন্ট ছিলেন কিম জং-এর সৎ ভাই!

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের প্রয়াত সৎ ভাই কিম জং ন্যাম মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র এজেন্ট ছিলেন বলে জানিয়েছে একটি মার্কিন দৈনিক।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে ২০১৭ সালে মুখমণ্ডলে ‘ভিএক্স নার্ভ এজেন্ট’ প্রয়োগ করে কিম জং ন্যামকে হত্যা করা হয়। খবর ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের।

মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল সোমবার এক প্রতিবেদনে বলেছে, গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র সঙ্গে কিম জং ন্যামের এক ধরনের ‘যোগাযোগ’ ছিল। উত্তর কোরিয়ায় কোনো ধরনের ক্ষমতা ছিল না প্রয়াত ন্যামের। কাজেই তার পক্ষে উত্তর কোরিয়ার কোনো গোপন তথ্য সিআইএ’র হাতে তুলে দেয়া সম্ভব ছিল না।

কিম জং ন্যামের হত্যাকাণ্ডের তদন্তকারী মালয়েশিয়ার একজন পুলিশ কর্মকর্তা গত বছর আদালতে জানান, উত্তর কোরিয়ার নেতার সৎ ভাই নিহত হওয়ার ৪ দিন আগে ২০১৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি কুয়ালালামপুরের একটি হোটেলে একজন মার্কিন নাগরিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

ওই মার্কিন নাগরিক কোনো গোয়েন্দা কর্মকর্তা হয়ে থাকবেন বলে ওই কর্মকর্তা জানান। ২০১৭ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি কিম জং ন্যামকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রাসায়নিক প্রয়োগে হত্যা করা হয় বলে জানায় মালয়েশিয়ার পুলিশ।

কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ম্যাকাওগামী একটি বিমানে চড়ার প্রস্তুতিকালে ন্যামের ওপর হামলা চালায় ২ নারী। এতে নিহত হন তিনি। দুই হামলাকারী কিমের মুখে এক ধরনের তরল বিষ মেখে পালিয়ে যায়। হামলার পর হাসপাতালে নেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ফায়ারিং স্কোয়াডের পর এবার পিরানহার পুকুরে ফেলে জেনারেলের মৃত্যুদণ্ড দিলেন কিম

নিজ সেনাবাহিনীর এক জেনারেলের অদ্ভুত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে আলোচনায় এলেন কিম। কিমের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে তাকে গদিচ্যুত করার ষড়যন্ত্রে অভিযুক্ত জেনারেলকে রিংয়সিয়ং প্রাসাদের পুকুরের ব্রাজিল থেকে আমদানিকৃত পিরানহার ঝাঁকে ফেলে দেন কিম নিজেই।

তার আগে জেনারেলের দেহের বিভিন্ন অংশে ছুরি দিয়ে কেটে রক্ত বের করা হয়। আহত জেনারেলকে সেই পুকুরে ছুঁড়ে ফেলা হয়। রক্তের ঘ্রাণ পেয়ে মুহূর্তের মধ্যে অসংখ্য পিরানহা ছুটে আসে। জীবন্ত সেই জেনারেলকে লুফে নেয় অ্যামাজনের ভয়ঙ্কর মাংসাশী মাছগুলো। আর ওই মাছ ছিঁড়ে খায় হতভাগ্য জেনারেলকে।

ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে ট্রাম্প ও কিমের মধ্যকার বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে ছিলেন কূটনীতিক কিম হিয়ক চোল। কিন্তু হিয়ক যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করছেন, এমন অভিযোগে গত মার্চে পিয়ংইংয়ের মিরিম বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৪ শীর্ষ কর্মকর্তাসহ তাকে ফায়ারিং স্কোয়াডে গুলি করে মারা হয়। কিম হিয়ক চোল ছাড়া বাকি ৪ জনের নাম পরিচয় জানানো হয়নি।

Spread the love
  • 24
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    24
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।