বাঘায় নিহত নারীর মুখে মবিল, পাশে পরিত্যক্ত কালো বোরকা!

0

রাজশাহী প্রতিনিধি:

রাজশাহীর বাঘায় ভুট্টাক্ষেতে অজ্ঞাত পরিচয়ে (৪৫) এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের মুখে মাখানো ছিল মবিল, পাশে পড়েছিল কালো বোরকা ও একজোড়া স্যান্ডেল। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের চকবাউসা গ্রামের মাঠ থেকে ওই নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাৎক্ষণিকভানে নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি (তদন্ত) আবদুল ওহাব জানান, খরব পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মরদেহের পাশ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি কালো বোরকা, এক জোড়া স্যান্ডেল, একটি গুলের কৌটা পাওয়া যায়। নিহতের পরনে ছিল কমলা রঙের শাড়ি, সবুজ রঙের ব্লাউজ, একটি ওড়না। তবে ওড়না দিয়ে গলা পেঁচানো ছিল। তার মুখমণ্ডলে মবিল মাখানো ছিল।

তবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারীকে অন্য জায়গায় হত্যা করে চকবাউসা গ্রামের ভুট্টাক্ষেতে মরদেহ ফেলে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

শ্রীনগরে নিজ গায়ে আগুন দেয়া সেই গৃহবধূর মৃত্যু

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে নিজ গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যাচেষ্টাকারী অগ্নিদগ্ধ সেই গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম জিয়াসমিন বেগম (৩৮)। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চার দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

জিয়াসমিন কোলাপাড়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মণপাইকসা গ্রামের মৃত আ. আজিজ চৌধুরীর মেয়ে এবং শ্রীনগর উপজেলার শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়নের সেলামতি গ্রামের সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২৩ বছর আগে সেলামতি গ্রামের সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে জিয়াসমিনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে প্রতিবন্ধী এক মেয়ে ও মালয়েশিয়া প্রবাসী এক ছেলে রয়েছে।

গত শুক্রবার দুপুরে সিরাজুল ইসলাম জিয়াসমিনের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এ সময় স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তিনি নিজ গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন।

প্রতিবেশীরা জিয়াসমিনকে উদ্ধার করার আগেই তার গায়ের বেশিরভাগ অংশ পুড়ে যায়। পরে জিয়াসমিনের পরিবারের লোকজন তার শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চার দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

শ্রীনগর থানার ওসি মো. ইউনুচ আলী জানান, ঘটনার পর থেকে জিয়াসমিনের স্বামী পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় সোমবার রাতে জিয়াসমিনের বড় ভাই মো. সিরাজুল ইসলাম আরিফ বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১(খ) ধারায় মামলা করেন।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।