‘নারীর অর্গাজম সমীক্ষা’র মাধ্যমে বিতর্ক সৃষ্টি করলো কনডম কোম্পানী!

0

লাইফ স্টাইল ডেস্ক:

একটি টুইট, তার সাথে পরিসংখ্যান। আর তাতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তুলে দিল কনডম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান Durex। পরিস্থিতি এমনই যে Durex-এর #Orgasminequality এর বিরোধিতা করে ট্রেন্ডিং হচ্ছে #boycottdurex। মূলত কনডম কোম্পানির সমীক্ষায় ক্ষুব্ধ পুরুষরাই এই বিরোধিতার ডাক দিয়েছে।

কী ঘটেছিল?
সম্প্রতি এক সমীক্ষা রিপোর্টের তথ্য নিজেদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলে ধরে Durex। যা অনুযায়ী, ৭০% নারীই সেক্সে চরম সুখ বার অর্গাজম থেকে বঞ্চিত। জনপ্রিয় কনডম ব্র্যান্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী, যৌন মিলনের হার বাড়লেও নারীদের অর্গাজম হার অত্যন্ত কম।

#Orgasminequality কী?
এর প্রেক্ষিতে নেটদুনিয়ায় #Orgasminequality চালু করে Durex। স্বরা ভাস্কর, পূজা বেদী, অপারশক্তি খুরানা, কেনি সেবাস্টিয়ানের মতো বিনোদন দুনিয়ার পরিচিত মুখদের প্রচারে #Orgasminequality ভাইরাল হতে সময় লাগেনি। এতেই চটেছে পুরুষদের একাংশ।

#boycottdurex কী?
অর্গাজম নিয়ে Durex-এর সমীক্ষা মানতে নারাজ নেটিজেনদের একাংশ। যাদের প্রায় প্রত্যেকেই পুরুষ। তাদের মতে, কনডম কোম্পানির এই সমীক্ষা আদতে পুরুষদের প্রতি ‘অপমান’। এই দাবির কারণেই সূচনা #boycottdurex-এর।

#boycottdurex দাবি জানিয়ে টুইটারে বহু পোস্ট দেখা যায়। অধিকাংশেরই দাবি, একা পুরুষদের দায়ী করে ঠিক করেনি Durex। ওই ৭০% মহিলাও তার মানে সম্পর্কে খুশি নন। মন থেকে জড়িত নন তারা।

সমালোচনার শিকার #boycottdurex!
তবে পুরুষদের এই দাবির পিছনেও ‘ইগো’র গন্ধই পাচ্ছেন অনেকে। তাদের মতে, ৭০% মহিলার পার্টনার যে সঙ্গমের সময় সুখ দিতে পারেন না- এই ‘বাস্তব’ মেনে নেওয়া কঠিন। অধুনা সমাজ আজও পুরুষতান্ত্রিক, একথা অসত্য প্রমাণ করাও অসম্ভব। আর তাই চার দেওয়ালের মাঝের যৌনতাও পুরুষতান্ত্রিক নিগড়ে বাধা।

প্রসঙ্গত, অর্গাজম বা রাগমোচন বলতে বোঝানো হয় যৌন উত্তেজনার আকস্মিক ভারমুক্তি। এসময় যৌনাঙ্গের মাংসপেশির ছন্দোময় সংকোচনের মাধ্যমে দেহে চরম যৌনসুখ অনুভূত হয়। নারী ও পুরুষ উভয়েরই রাগমোচন ঘটে থাকে। রাগমোচন মানবদেহের স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। রাগমোচনের সময় মানবদেহে আরও বিবিধ ক্রিয়া ঘটতে পারে, যেমন- শরীরের কিছু জায়গায় মাংসপেশির অনৈচ্ছিক সংকোচন, সাধারণ সুখকর অনুভূতি, বারবার শরীরের নড়াচড়া বা ত্বরিৎ ক্রমিক গতি এবং মুখে নানান ধরনের শব্দের উৎপত্তি। রাগমোচনের পরবর্তী সময়টি (একে রিফ্র্যাক্টরি পিরিয়ডও বলা হয়) একটি নিস্তেজ পরিস্থিতি। যার মূল কারণ হল অক্সিটোসিন, প্রোল্যাক্টীন এবং এন্ডোরফিনস নামক নিউরোহরমোনের নিঃসরণ।

Spread the love
  • 65
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    65
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।