তুরস্কে ১৫শ বছর পুরনো ইহুদিদের ধর্মীয় বই উদ্ধার

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

তুরস্কে হিব্রু ভাষায় লিখিত শিল্ড অব ডেভিড (ইসরায়েলের পতাকার ওপর যে ছয় কোণ বিশিষ্ট তারকা চিহ্ন থাকে) সমন্বিত ১ হাজার ৫০০ বছরের পুরনো একটি ধর্মীয় বই জব্দ করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার দেশটির পশ্চিম ইজমিরপ্রদেশ থেকে বইটি উদ্ধার করা হয়। খবর ডেইলি সাবাহ।

পুলিশ জানায়, কিছু সন্দেহভাজন ব্যক্তি হস্তলিখিত একটি প্রাচীন বই বিক্রি করার পরিকল্পনা করছে- এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় ইজমির পুলিশ।

এর পর গাজিমের জেলায় গিয়ে তাদের গাড়ির গতিরোধ করা হয়। এরপর তাদের কাছে তল্লাশি চালিয়ে ওই পুরনো বইটি উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে বলে জানায় পুলিশ।

১৭ পৃষ্ঠার এই বইটির দৈর্ঘ্য সাড়ে ১০ সেন্টিমিটার ও প্রস্থ সাড়ে ৮ সেন্টিমিটার। বইটি ইহুদিদের প্রাচীন ধর্মীয় বিষয়াদি নিয়ে হিব্রু ভাষায় লেখা বলে জানা গেছে।

তুরস্কে ঐতিহাসিক বস্তুর অবৈধ বিক্রি বন্ধে এবং দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার জন্য প্রতি বছর হাজার হাজার চোরাচালান প্রতিরোধী অভিযান পরিচালনা করে দেশটির পুলিশ।

এ বিষয়গুলো এই দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ৩ হাজার প্রাচীন শহরে ৪২টি সভ্যতা বাস করে আসছে। তাই এর ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও সমৃদ্ধ পর্যটনশিল্প প্রতি বছর লাখ লাখ বিদেশি দর্শককে আকৃষ্ট করে।

রমজানে শ্রমিকদের কাজ কমিয়ে দেয়া হয় তুরস্কে

তুরস্কে রমজান হলো সহমর্মিতার মাস। রমজান তুর্কিদের কাছে মুক্তির বারতা নিয়ে আসে। এ মাসে তারা প্রাণ খুলে মোনাজাত করে এবং ঘুরে ঘুরে একে অপরের বাড়িতে গিয়ে রমজানের শুভেচ্ছা জানায়। রমজানে তুরস্কে বেচাকেনার মাত্রা বহুগুণে বেড়ে যায়।

রমজানে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি তুর্কি জনগণের নজরকাড়া সহানুভূতি চোখে পড়ে। অনেকেই শ্রমিকদের কাজের ভার কমিয়ে দেয়। শ্রমিক-মালিক একসঙ্গে ইফতার করে। সরকারের পক্ষ থেকে তুরস্কে রমজান মেলার আয়োজন করা হয়। এ মেলায় বাচ্চাদের বিনোদনের ব্যবস্থাও থাকে।

তুরস্কের অধিকাংশ মানুষই ধর্মপরায়ণ। এদেশেও খেজুর আর পানি দিয়ে ইফতার করেন রোজাদাররা। তুরস্কের অনেক জায়গায় ‘রমজান কিবাবি’ নামক খাদ্যটির ইফতার হিসেবে আলাদা কদর রয়েছে। এটা বিশেষ ধরনের কাবাব। নানারকম শরবতের ব্যবহারও বেশ পুরোনো।

এছাড়া জলপাই, বিখ্যাত রমজান পাইড রুটি, পনির, মশলাদার গরুর মাংসের পাতলা স্লাইস, সসেজ, মিষ্টি মাখন, ফল, মধু, প্রচুর পরিমাণ টমেটো, শশা ইত্যাদি দিয়ে ইফতার করেন তুর্কিরা।

তুর্কিদের ইফতার আয়োজনে শুধু মুসলমানরাই নয়, ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরাও এক কাতারে বসে ইফতার করে। এছাড়া বড় বড় মসজিদের চারপাশে শত শত দোকানদার নানারকম ইফতারের পসরা সাজিয়ে বসে।

রাতের খাবারের পর তুরস্কের লোকজন শহরের বাইরে গিয়ে সান্ধ্য আয়োজন উপভোগ করে। এ সময় তারা বিভিন্ন ইসলামিক প্রোগ্রামে যোগ দেয়। সেখানে নাচ গানের ব্যবস্থা থাকে। বিভিন্ন আঙিনা ও পার্কে ঘুরে বেড়ায় জনসাধারণ।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।