কর্মখালি || বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ

0

সময় এখন ডেস্ক:

বিদ্যুৎ বিভাগের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শূন্য পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে বিধিমোতাবেক জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিকরা পদগুলোতে আবেদন করতে পারবেন।

১) পদের নাম: সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, পদ সংখ্যা: ৪টি, বেতন স্কেল: ১১,০০০/-২৬,৫৯০/ টাকা, যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক/সমমান পাস। সাঁটলিপিতে গতি বাংলায় ৪৫ ও ইংরেজিতে ৭০ শব্দ। কম্পিউটারে টাইপিংয়ের গতি বাংলায় ২৫ ও ইংরেজিতে ৩০ শব্দ।

২) পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, পদ সংখ্যা: ৬টি, বেতন স্কেল: ৯,৩০০/-২২,৪৯০/ টাকা, যোগ্যতা: স্বীকৃত বোর্ড হতে উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পাস। কম্পিউটারে টাইপিংয়ের গতি বাংলায় ২০ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দ।

৩) পদের নাম: অফিস সহায়ক, পদ সংখ্যা: ৭টি, বেতন স্কেল: ৮,২৫০/-২০,০১০/ টাকা, যোগ্যতা: স্বীকৃত বোর্ড হতে মাধ্যমিক/সমমান পাস।

আবেদনের শেষ তারিখ: ০৫ এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫টা পর্যন্ত

সাম্প্রতিক সকল চাকরির সংবাদ জানতে ক্লিক করুন।

মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় (এমপিইএমআর) মন্ত্রণালয়-এর দুটি বিভাগের নেতৃত্বে দুটি পৃথক বিভাগ/সচিবালয় রয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ প্রচলিত, অ-প্রচলিত এবং জলবিদ্যুৎসহ অন্যান্য জ্বালানি উৎস-এর সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন এবং বিতরণ সংক্রান্ত সকল বিষয়ে নীতি-নির্ধারন ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করে। পাওয়ার সেক্টর বিদ্যুৎ উৎপাদন সঞ্চালন এবং বিতরণ – এই তিনটি কাজের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। বিদ্যুৎ বিভাগের ছয়টি (৬) উৎপাদন, একটি (১) সঞ্চালন এবং পাঁচটি (৫) বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। পাশাপাশি পাওয়ার সেল বিদ্যুৎ বিভাগের “পরামর্শক প্রতিষ্ঠান” হিসাবে কাজ করে প্রয়োজনীয় আইন, বিধি ও নীতিমালা তৈরিতে সহায়তা প্রদান করে থাকে।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মপরিকল্পনা

২০২১ সালের মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা ২৪,০০০ এবং ২০৩০ সালে ৪০,০০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করা; ২০২১ সালের মধ্যে প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন এবং ১ লক্ষ কিলোমিটার বিতরণ লাইন ও প্রয়োজনীয় উপকেন্দ্র নির্মাণ/ ক্ষমতা বর্ধন করা; বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাথমিক জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করা; বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা; সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে ২০২১ সালের মধ্যে প্রায় ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংস্থান করা; ২০২১ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ন্যূনতম ১০% নবায়নযোগ্য জ্বালানি হতে উৎপাদন করা; আঞ্চলিক গ্রীডের মাধ্যমে ৬,৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি নিশ্চিত করা; ২০২১ সালের মধ্যে ৬,০০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ; ২০২২ সালের মধ্যে প্রায় ২,০০০ মেগাওয়াট নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করা; সিস্টেম লস সিঙ্গেল ডিজিটে হ্রাস করা; ২০১৭ সালের মধ্যে দেশব্যাপী প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা; বিদ্যুৎ ও জ্বালনির সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে ১৫% জ্বালানি অপচয় হ্রাস করা; গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধিতে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল পদ্ধতির প্রবর্তন করা; প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতের দক্ষ জনবল সৃষ্টি করা।

Spread the love
  • 100
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    100
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।