ওবায়দুল কাদেরের ‘গাঙচিল’ অবলম্বনে সিনেমার শ্যুটিং শুরু

0

বিনোদন ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের লেখা গাঙচিল উপন্যাস অবলম্বনে ‘গাঙচিল’ সিনেমার শ্যুটিং শুরু হয়েছে। ছবিটির গল্প তৈরি হয়েছে একটি চরে বসবাসরত মানুষদের জীবনব্যবস্থা নিয়ে। আজ শুক্রবার থেকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ চরএলাহী ইউনিয়নের গাঙচিল এলাকায় প্রথম ধাপে শুরু হওয়া ছবিটির শ্যুটিং চলবে আগামী ৮ দিন।

নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত এ সিনেমায় নায়ক ফেরদৌস সাংবাদিক চরিত্রে ও নায়িকা পূর্ণিমা একজন এনজিও কর্মীর চরিত্রে অভিনয় করছেন। অতিথি শিল্পি হিসেবে রয়েছেন কলকাতার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। ছবিটির চিত্রনাট্য লিখেছেন মারুফ রেহমান ও প্রিয় চট্টোপাধ্যায়।

পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল সাংবাদিকদের বলেন, আগামী মার্চের শেষ দিকে সিনেমাটির শ্যুটিংয়ের কাজ শেষ হবে। চলতি বছরের মাঝামাঝির দিকে সিনেমাটি দর্শক দেখতে পাবেন বলে আশা করেন তিনি।

এর আগে গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী মিলনায়তনে। সেদিন অনুষ্ঠানে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ছাড়াও ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। ছিলেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, অভিনেতা তারিক আনাম খানসহ অন্যরা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এই উপমহাদেশের রাজনীতিবিদরা সাধারণত উপন্যাস লেখেন না। সেই দুঃসাহসটাই আমি দেখিয়েছি। জীবনঘনিষ্ঠ একটা উপন্যাস আমি লিখতে চেয়েছিলাম। এখানে উপকূলের মানুষের জীবনচিত্র ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছি। জেল থেকে বের হয়ে কক্সবাজারে টানা ৭ দিন অবস্থান করে আমি বইটা শেষ করেছি। বইমেলায় প্রকাশের পর বইটি বেস্ট সেলার হয়েছে, কিন্তু বইটি চলবে কি না তা ভেবে শুরুতে লজ্জা পেতাম। এটা নিয়ে আবার সিনেমা হবে আমি কল্পনাও করিনি। আমি মনে করি এটা আমার জন্য একটা সৌভাগ্যের ব্যাপার।’

হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের সাহেবের উপন্যাসটিতে বাংলাদেশের চেতনার কথা উঠে এসেছে, সাগরপাড়ের জনপদের কথা উঠে এসেছে। উপন্যাসটি নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুলের হাতে দেওয়া হয়েছে। উনি চমৎকার চিত্রনাট্যের মাধ্যমে সিনেমাটিকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করবেন বলে আমার বিশ্বাস। সিনেমাটি দর্শকনন্দিত হবে বলে আশা রাখি।’

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘একজন রাজনীতিবিদের এ সৃষ্টিশীল কাজ জাতির সামনে একটি বড় উদাহরণ। শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা সব সময়ই জীবনকে উন্নততর পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।’

তারানা হালিম বলেন, ‘বর্তমান সরকারের প্রতি আপনাদের ভালোবাসার কারণে আজ মহরতে এতজন মন্ত্রী এসেছেন। আমি সিনেমাটির সাফল্য কামনা করছি।’

অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্রটির পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, অভিনেতা তারিক আনাম খান, অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, পূর্ণিমা ও ফেরদৌস তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

Spread the love
  • 116
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    116
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।