এবার মনোনয়নবঞ্চিতদের ধাওয়া খেলেন ঐক্যফ্রন্ট নেতা জাফরুল্লাহ!

0

সময় এখন ডেস্ক:

বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীদের নেতাকর্মীদের হাতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুলের লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনার পর এবার বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীও নেতাকর্মীদের ধাওয়া খেলেন। এসময় তাড়া খেয়ে পালিয়ে যেতে যেতে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের সামনে পড়ে তিনি বলেন, ‘মনোনয়ন দেওয়া আমার কাজ না, আমি বিএনপির কেউ নই।’

রোববার (৯ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে বের হতেই ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে ঘিরে ফেলেন কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির সমর্থকরা। ওই আসনটি বিএনপি ছেড়ে দিয়েছে ঐক্যফ্রন্টের শরিক দল জেএসডিকে। সেখানে ধানের শীষ নিয়ে লড়বেন জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের পাশ কাটিয়ে যেতে চাইলে তারা হৈ হৈ করে স্লোগান দিতে দিতে তার দিকে তেড়ে আসেন। অবস্থা বেগতিক দেখে ডা. জাফরুল্লাহও দৌড় দেন। এসময় চারদিক থেকে তার পথরুদ্ধ করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির কর্মীরা।

যাওয়ার রাস্তা না পেয়ে আটকে পড়া ঐক্যফ্রন্ট নেতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘আমি বিএনপির কেউ নই। মনোনয়ন দেওয়া না দেওয়া তাদের দলীয় বিষয়।’

তিনি আরও বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্বার্থে অনেক কিছু করা হয়েছে। পরবর্তীতে সমন্বয় সাধন করা হবে। জোট ক্ষমতায় গেলে কাউকে চাইলে সরাসরি মন্ত্রীও বানাতে পারে। সুযোগতো আছেই। পরে উপস্থিত মুন্সির সমর্থকরা জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সামনে থেকে সরে গেলে তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এর আগে শনিবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মনোনয়ন না পাওয়া এহছানুল হক মিলন, তৈমুর আলম খন্দকার ও সেলিমুজ্জামান সেলিমের অনুসারী কর্মী-সমর্থকেরা গুলশান কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন এবং কার্যালয় ভাঙচুর করেন। তারা কার্যালয়ের প্রধান ফটকে লাথি মারেন, ধাক্কা দেন, ইটপাটকেল ছুঁড়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। তাদের ছোঁড়া ইটের আঘাতে কার্যালয়ের জানালার কাঁচ ভেঙে যায়। রাতেও তাদের এই বিক্ষোভ চলছিল। সেই বিক্ষোভের মুখে পড়ে মির্জা ফখরুলের কাপড় ছিঁড়ে ফেলে কর্মীরা।

পরে রোববার সকাল থেকেও একই জায়গায় বিক্ষোভ শুরু করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।