‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ধ্বংসাত্মক করা প্রসঙ্গে অডিও আমাদের হাতে’

0

সময় এখন ডেস্ক:

সহপাঠীদের মৃত্যুতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাজপথে নেমে আসা বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে যারা নাশকতা করেছে, যারা গুজব ছড়িয়ে দেশকে অশান্ত করা চেষ্টা করেছে তাদের চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। শনিবার (১১ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ইতিমধ্যে অনেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, অনেককে আটক করা হয়েছে। তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

কমিশনার বলেন, ‘আপনারা অনেক তথাকথিত দায়িত্বশীল নেতার অডিও-ভিডিও রেকর্ড শুনেছেন। এমন আরও কয়েকজন তথাকথিত দায়িত্বশীল নেতার অডিও রেকর্ড পুলিশের হাতে রয়েছে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে নিজেদের লোকজন অনুপ্রবেশ করিয়ে ধংসাত্মক পরিবেশ তৈরি করার অপচেষ্টা সেসব তথাকথিত দায়িত্বশীল নেতার অডিওতে উঠে এসেছে।’

আরও পড়ুন  ষাটোর্দ্ধ জিহাদি হুজুর দ্বারা মাদ্রাসা ছাত্র বলাৎকার

তিনি আরও বলেন, ‘যারা এসব ধরনের ইস্যুকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

কমিশনার তার বক্তব্যে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন যৌক্তিক বলে সরকারের তরফ থেকে বারবার স্বীকার করা করা হয়েছে। সরকার সমর্থন দিয়েছে। আর যৌক্তিক আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা ট্রাফিক সপ্তাহ ঘোষণা করেছি। সে অনুযায়ী আমরা কাজ করছি। কিন্তু এই আন্দোলনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে নানা ধরনের প্রোপাগান্ডা ও অপপ্রচার করা হয়েছে। মরক্কোর এক নির্যাতিত গৃহকর্মীর ছবি দিয়ে বলা হয়েছে আন্দোলনে নারীদের ওপর নির্যাতন করা হয়েছে। কলকাতার ছবি দিয়ে অপপ্রচার করা হয়েছে। এছাড়াও ২০১৩-১৪ সালের বিভিন্ন সময়ের ছবি প্রকাশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপপ্রচার করা হয়েছে। এসব অপপ্রচারকারীদের সন্ধান করার কাজ চলছে।’

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগ জিতলে চুড়ি পরবেন কাদের সিদ্দিকী!

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমি বলতে চাই, কোটা আন্দোলনে বিশৃঙ্খল ও অপপ্রচার, ভ্যাট আন্দোলন, ২০১৩-১৪ সালের নৈরাজ্য, ২০১৫ সালের টানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, বোমাবাজি, অগ্নি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সব কিছুই এক সূত্রে গাঁথা। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা আমাদের দায়িত্ব। তাই আমরা সেই অনুযায়ী কাজ করছি।’

তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় বিষয়ে মালিক, চালক ও হেলপারদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ৩০৪ এর বি ধারায় মামলা হয়েছে। জামিন না দিয়ে আমাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আসামিদের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। প্রশ্ন হলো এটি কি দুর্ঘটনা না কি হত্যাকাণ্ড? উত্তর হচ্ছে, সেটি এখনও তদন্তাধীন বিষয়।

Spread the love
  • 164
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    164
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।