অমুসলিম নারীদের ধর্ষণ করা মুসলিমদের জন্য বৈধ: সুদাহ সালেহ

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মিসরের কায়রোর বিখ্যাত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামপন্থী নারী অধ্যাপক সুদাহ সালেহ দাবি করেছেন, আল্লাহ মুসলিম পুরুষদের অমুসলিম নারীদের ধর্ষণ করার অনুমতি দিয়েছেন। তাদের লজ্জা দেয়ার জন্য মহান আল্লাহ এ অনুমোদন দিয়েছেন। তিনি টেলিভিশনে এক সাক্ষাত্কারে এ দাবি করেছেন।

সংবাদমাধ্যম দি ইনকুইজিটরের বরাত দিয়ে জি নিউজ জানিয়েছে, যৌনদাসীদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের পথ আল্লাহ মুসলিম পুরুষদের জন্য খোলা রেখেছেন, এটা বিধানসম্মত। তবে সুদাহ সালেহ বলেন, কেবল মুসলিম ও তাদের শত্রুদের মধ্যে বিধিসম্মত যুদ্ধের সময় যৌনসম্পর্ক স্থাপনের জন্য নারীদের দাসী করা যেতে পারে। শত্রুর উদাহরণ হিসেবে এ অধ্যাপক ইসরায়েলের নাম বলেন। তাঁর মতে, ইসরায়েলের নারীদের যৌনদাসী বানানো এবং ধর্ষণ করা পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য।

আরও পড়ুন  থর মরুভূমিতে ভারতের গোপন সেনা-মহড়া!

এ অধ্যাপকের এমন মন্তব্যের পর শুরু হয়েছে বিতর্ক। অনেকেই বলছেন, ধর্মের অপব্যাখ্যা করেছেন তিনি। তাঁদের মতে, ইসলামের নামে মিথ্যা প্রচার চালাতেই এমন কথা বলা হচ্ছে।

এ বিষয়ে আবুল ফাত্তাহ নামের একজন মালয়েশিয়ান ইসলামি চিন্তাবিদ বলেছেন, অধ্যাপক সুদাহ সালেহ নিঃসন্দেহে একজন ইসলামী জ্ঞান সম্পন্না নারী। আমি তাঁকে সন্মান করি, তাঁর অন্যান্য বক্তব্য আমি আগেও শুনেছি। কখনো দ্বিমত করিনি। তবে তিনি মুসলিম পুরুষ কর্তৃক অমুসলিম নারীদেরকে ধর্ষণের বৈধতা নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা নিয়ে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। সুদাহ মুসলমানদের সাথে কাফের (অমুসলিম ও ভিন্ন মতাবলম্বী) সম্প্রদায়ের সাথে যুদ্ধকালীন অবস্থায় করণীয় কর্তব্যের বিষয়টিকে সব সময়ের জন্য বলেছেন, যা পুরোপুরি সত্য নয়।

আবুল ফাত্তাহ আরও বলেন, ইসলাম কখনও শান্তির সময়ে অস্ত্র ধারণ করতে বলে না। মুসলিম পুরুষরা বিধর্মীদের সাথে যুদ্ধের সময় শত্রুপক্ষের মনে ভীতির সঞ্চার করতে তাদের পুরুষদের সাথে যুদ্ধ করবে। তারপর বিজয়ী হলে তাদের মালামাল এবং নারী ও শিশুদের মালিকানা বৈধভাবেই পেয়ে যাবে। মাল এ গণিমত (যুদ্ধে জয়ী হয়ে দখলকৃত সম্পদ) এর ব্যাপারে ইসলামে সুস্পষ্ট বিধান আছে।

আরও পড়ুন  শুধু দামি মোবাইল ফোন পেতে যা করলেন তরুণী!
Spread the love
  • 259
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    259
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।