আওয়ামী জাহেলিয়াতের যুগে আছি আমরা: খন্দকার মোশাররফ

0

সময় এখন ডেস্ক:

দেশের মানুষ গত একটি বছর অবর্ণনীয় দুঃখ কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করেছে বলে দাবি করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘গত বছর ছিল আওয়ামী লীগের পরিচালনায় একটি অন্ধকার বছর। এই অন্ধকার বছরের নাম আওয়ামী জাহেলিয়াতের যুগ। মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যহত হয়েছে নানাভাবে।’

শনিবার বিকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতি বছর জাসাসের এই অনুষ্ঠানে দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া যোগ দিলেও এবার তিনি কারাগারে থাকায় তা পারেননি। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মা মারা যাওয়ায় তিনিও থাকতে পারেননি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, সহ–আন্তর্জাতিক সম্পাদক বেবী নাজনীন, জাসাস সাধারণ সম্পাদক হেলাল খান, সহসভাপতি শায়রুল কবির খান প্রমুখ।

সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের কারণে আন্তর্জাতিকভাবে স্বৈরাচারী তকমা নিয়ে আসতে হয়েছে। এটা জাতির জন্য অত্যন্ত কলঙ্কের। গত বছরটি মোটেই আমাদের জন্য গৌরবের ছিল না। কারণ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার লুট হয়েছে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ বিপর্যস্ত জীবন অতিক্রম করেছে।’

সরকারের সমালোচনা করে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, ‘বলা হচ্ছে আমরা উন্নয়নশীল হয়েছি কিন্তু সাধারণ মানুষের অবস্থা দুর্বিষহ। উন্নয়ন যদি হয়ে থাকে তাহলে আওয়ামী লীগের নেতাদের হয়েছে। আওয়ামী ঘরানার ব্যবসায়ীদের হয়েছে।’

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘সারা বাংলাদেশের মানুষের জীবনে ২০০৭ থেকে অদ্যাবদি কোনো শুভ নববর্ষ আসেনি। জনগণ অস্থিরতায় ভুগছে। এই সরকার থাকলে শুভ থাকবে না। শুভ আনতে হলে অশুভ শক্তির সঙ্গে যুদ্ধে যেতে হবে।’

বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করা হয়। এতে দলীয় সংগীত, গম্ভীরা সংগীত, নৃত্য ও গান পরিবেশিত হয়।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।