টিপস: বাড়িতে ওষুধ ভাল রাখার উপায়

0

অনেক সময় রোগে ভোগার কারনে আমরা দীর্ঘদিন ধরে ওষুধ সেবন করি, অথবা সচরাচর পাওয়া যায় না, এমন ওষুধ আমরা প্রয়োজনে একসাথে বেশি কিনে রাখি। কিন্তু সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করার কারনে মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও ওষুধ নষ্ট হয়ে যায়। আবার স্যাঁতসেঁতে বর্ষায় কিংবা বাতাসেও নষ্ট হয়ে যায় ওষুধ। সেই ওষুধই খাচ্ছেন বা ফেলে দিচ্ছেন। শরীরের ক্ষতির ঝুঁকির পাশাপাশি অর্থ অপচয়ও হচ্ছে।

বাড়িতে ওষুধ ভাল রাখার উপায় কী?

💉 ওষুধ সংরক্ষণে মানতে হবে কয়েকটি নিয়ম। তাহলে ওষুধের মেয়াদ পযর্ন্ত মান ঠিক রাখা যাবে ওষুধের। শুধু আলো, পানি, বাতাস নয়, মানুষের জীবনের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ওষুধ। সর্দি, কাশি, জ্বর, মাথাব্যথা নিত্যসঙ্গী। তাই বাড়িতে হাতের কাছেই মজুত রাখতে হয় ওষুধ।

আরও পড়ুন  কর্মক্ষেত্রে কি বন্ধুত্ব সম্ভব?

💉 ঠান্ডা এবং শুকনো জায়গায় রাখতে হবে ওষুধ। ড্রেসার ড্রয়ার কিংবা কিচেন ক্যাবিনেটে রাখা যেতে পারে ওষুধ। তবে, আগুন, স্টোভ, সিঙ্ক এবং গরম কোনও সরঞ্জাম থেকে দূরে রাখতে হবে। স্টোরেজ বক্স বা তাকে রাখা যেতে পারে ওষুধ। না হলে এক্সপায়ারি ডেটের আগেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে ওষুধ।

💉 তাপ ও আর্দ্রতায় ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল সহজেই নষ্ট হয়ে যায়। গুঁড়ো হয়ে যেতে পারে ওষুধ। সেই ওষুধ খেলে পেটের সমস্যা হতে পারে। ওষুধের খাপ থেকে ওষুধ খুলে রাখা যাবে না। ওষুধের বোতল থেকে তুলোর বল বের করে নিতে হবে। কারণ, এই তুলো থেকে ময়েশ্চার জন্ম নিতে পারে।

💉 প্লাস্টিকের ব্যাগে ওষুধ রাখা যাবে না। রাখলে ওষুধের প্রভাব কমে যেতে পারে। ইনসুলিন ও লিকুইড অ্যান্টিবায়োটিকের ক্ষেত্রে বেশি সাবধানতা নেওয়া উচিত। ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় সাধারণত ৩০দিন পর্যন্ত ঠিক থাকে ইনসুলিন।

আরও পড়ুন  দেড়শ টাকায় চিকুনগুনিয়ার চিকিৎসা আদ-দ্বীন হাসপাতালে

💉 একটি পাত্রে অনেক ওষুধ একসঙ্গে না রাখারই পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। না হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বদলে যেতে পারে ওষুধের রং, গন্ধ। শিশু ও পোষ্যদের নাগাল থেকে দূরে রাখতেই হবে ওষুধ।

💉 ফ্রিজে যদি মেডিসিন বক্স থাকে, সেখানে রাখা যেতে পারে। নইলে স্বাভাবিক কক্ষ তাপমাত্রায় ওষুধ রাখা উচিৎ। তবে সব সময় ওষুধের সাথে দেয়া নির্দেশণা মেনে চলা বাঞ্ছনীয়।

সূত্র: জি নিউজ

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।