আগেও একবার দুর্ঘটনায় পড়েছিলো ইউ-এস বাংলার ‘ত্রুটিযুক্ত’ এই বিমানটি!

0

সময় এখন ডেস্ক:

নেপালে বিধ্বস্ত ইউএস বাংলার বোম্বার্ডিয়ার ড্যাশ ৮ কিউ-৪০০ (S2-AGU) বিমানটি এর আগেও দুর্ঘটনায় পড়েছিল। জানা যায়, ২০১৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর একবার যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য বিমানটি রানওয়ে থেকে ছিটকে ঘাসের ওপর পড়ে। সেসময় যাত্রীরা ভয়ংকর আতঙ্কিত হলেও কর্তৃপক্ষ একটি ব্রিফ দিয়ে দায় সেরেছিল।

জানা যায়, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফটটি ২০১৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ৭৪ জন যাত্রী নিয়ে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানটি রানওয়ের এক প্রান্তে ইউটার্ন নিয়ে যখন পার্কিং বে-তে আসছিল তখন একটি চাকা আটকে যায়। সেদিন ঢাকা থেকে দ্রুততার সঙ্গে হেলিকপ্টারযোগে ইউএস-বাংলার দক্ষ প্রকৌশলীদের নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে প্রকৌশলীরা বিমানটি পার্কিং বে-তে ফিরিয়ে আনেন এবং ফিরতি যাত্রীদের নিয়ে যথারীতি ঢাকায় ফিরে আসে।

আরও পড়ুন  মশারা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দখল নিয়ে নিয়েছে!

ঠিক প্রায় আড়াই বছর পর সেই বিমানটিই আজ নেপালে বিধ্বস্ত হলো।

ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে ৭৮ আসনের বিমানটিতে ৬৭ জন যাত্রী এবং ৪ জন ক্রু মেম্বার ছিলেন। ত্রিভুবন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এদের মধ্যে ৩৭ জন পুরুষ, ২৭ জন নারীর সঙ্গে ছিল দুই শিশু। এদের মধ্যে ৩৭ জন বাংলাদেশি। নেপালের ৩২ জন, মালদ্বীপের ১ জন এবং চীনের ১ জন ছিলেন বাকিদের মধ্যে।

ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রেমনাথ ঠাকুরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ৭৮ আসনের বোম্বার্ডিয়ার ড্যাশ ৮ কিউ-৪০০ মডেলের উড়োজাহাজটি স্থানীয় সময় ২:২০ মিনিটে বিধ্বস্ত হয়। এসটু-এইউজি নামে নিবন্ধিত ফ্লাইটটি ঢাকা ছেড়েছিলো দুপুর ১:৪৩ মিনিটে। দুর্ঘটনার পরপরই বিমানবন্দরটিতে সবধরণের উড়োজাহাজের ওঠা-নামা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  নেপালে ইউএস-বাংলার বিমান বিধ্বস্ত: সর্বশেষ পাওয়া খবর

ইউএস-বাংলা এয়ারের বিএস-২১১ ফ্লাইটের যাত্রীদের তালিকা পাওয়া গেছে। তাদের কয়েক জনের নাম এখানে তুলে ধরা হলো। যাত্রীদের মধ্যে ৩৮ জনের নাম:

মো. কবির হোসেন, দিনেশ হুমাগাইন, সানজিদা হক, হাসান ইমাম, মো. নজরুল ইসলাম, শ্রেয়া ঝা, পূর্নিমা লোহানী, মিলি মহারাজন, নিগা মহারাজন, সঞ্জয় মহারাজন, ঝাং মিং, আখি মনি, মিনহাজ বিন নাসির, শেকব পান্ডে, প্রশন্ন পান্ডে, বিনোদ রাজ পাডোয়াল, শঙ্কর হরি পাডোয়াল, সঞ্জয় পাডোয়াল, এফএইচ প্রতিক…

তামারা প্রিয়ন্ময়ী, মতিউর রহমান, শেখ রুবায়াত, কৃষ্ণ কুমার শাহানী, উম্মে সালমা, আসেনা শাকিয়া, সানাম শাকিয়া, অঞ্জিলা শ্রেষ্ঠা, সারোনা শ্রেষ্ঠা, সত্য শর্মা, হরিপ্রশাদ সুবেদি, দয়ারাম তাম্রকার, বাল কৃষ্ণ থাপা, সেতা থাপা, কিশোর ত্রিপাঠি, অবদেশ কুমার যাদব, অনিরুদ্ধ জামান, নুরুজ্জামান ও রফিক জামান।

আরও পড়ুন  বাড়ি লিখে দিলেই বাবার মুক্তিযোদ্ধার সনদ পাবেন কন্যা!
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।