আইএফএল সায়েন্স রিপোর্ট: ভুলক্রমে আবিষ্কৃত প্রযুক্তি, যা নারীকে যৌনতৃপ্তি দিতে সক্ষম!

0

অনলাইন ডেস্ক:

আমাদের প্রতিদিনের জীবনে এমন অনেক উদ্ভাবিত প্রযুক্তি আমরা ব্যবহার করি যা কি না ভুল করে বা দুর্ঘটনাবশত আবিষ্কৃত হয়েছিল। এমন ভুল করে তৈরি করা উদ্ভাবনের মাঝে যুক্ত হলো আরেকটি প্রযুক্তি। “ভ্যাজাইনাল প্রেশার ইনডিউসার” তৈরি করা হয়েছিল যৌনাঙ্গে ব্যথা এবং যৌন উত্তেজনার মাঝে সম্পর্ক আছে কি না তা পরীক্ষা দেখা জন্য। এর পাশাপাশি এটাও দেখার জন্য যে, নারীরা ভ্যাজাইনাল প্রেশার এবং পেইনের প্রতি সহ্য ক্ষমতা তৈরি করতে পারেন কিনা। কিন্তু গবেষণা চলাকালীন সময়ে দেখা যায়, এই ডিভাইসটি নারীদের যৌনতৃপ্তি দিতে সক্ষম!

জার্নাল অফ সেক্স অ্যান্ড ম্যারিটাল থেরাপিতে বর্ণনা করা হয়, এই ডিভাইসে থাকে একটি বেলুন যা যোনিতে প্রবেশ করানো হয় এবং এরপর শরীরের তাপমাত্রার পানি দিয়ে একে ফুলিয়ে তোলা হয়, যাতে ভ্যাজাইনাল ওয়ালে চাপ পড়ে। ৪২ জন সুস্থ, গড়ে ২৪ বছর বয়সী নারীর ওপর এই পরীক্ষা করা হয়। তাদের শরীরে এই যন্ত্রটি প্রবেশ করানোর পর তা ফুলিয়ে তোলা হয়। এর চাপ অস্বস্তিকর মনে হলে একটি বোতাম টিপলে তা আবার পূর্বের অবস্থায় চলে যায়।

আরও পড়ুন  পর্ন ভিডিওর পেছনে মাসে ৩ কোটি টাকা ওড়ায় বাংলাদেশি কিশোররা!


ছবি: ভ্যাজাইনাল প্রেশার ইনডিউসার

পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে তাদেরকে বেশকিছু চলচ্চিত্র দেখতে দেওয়া হয়। এর মাঝে কিছু ছিলো পর্নোগ্রাফিক সিনেমা আর কিছু ছিল খুবই সাধারণ সিনেমা। নারীরা জানান, পর্নোগ্রাফিক সিনেমা দেখার সময়ে ভ্যাজাইনাল প্রেশার ইনডিউসার এর চাপ তাদের মাঝে বেশি পরিমানে যৌনতৃপ্তি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

যৌনক্রিয়ার সময়ে প্রায় ৩০ শতাংশ নারী ব্যাথা পান বলে গবেষণায় দেখা গেছে। অন্যদিকে মাত্র ৭ শতাংশ পুরুষের ক্ষেত্রে তা দেখা যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর নাম হলো ডিসপ্যারেউনিয়া, শারীরিক এবং মানসিক বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে এর পেছনে। এই ব্যাপারটাই মূলত গবেষণাটির বিষয়বস্তু। যদিও গবেষণা থেকে অপ্রত্যাশিত কিছু ফলাফল পাওয়া গেছে, কিন্তু এটা সন্দেহাতিতভাবে বলা যায় যে, যৌনক্রিয়ার সময় ব্যাথার ব্যাপারে গবেষকদের আরো ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করবে তা।

আরও পড়ুন  সাবধান, রমরমা যৌন বাণিজ্য এখন অনলাইনেই!
Spread the love
  • 17
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    17
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।