গবেষণা: এনার্জি ড্রিঙ্কসই আপনাকে করে তুলছে মাদকাসক্ত!

0

গরম পড়তে শুরু করেছে। হেঁটে বা কাজ করে ক্লান্ত হয়ে পড়লে ‘কুলিং কর্ণার’ এর তাকে সাজিয়ে রাখা সুদৃশ্য ‘শক্তিপ্রদানকারী’ পাণীয়ের বোতলের দিকে হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তৃপ্তি ভরে চুমুক দিয়ে সাময়িকভাবে শ্রান্তি দূর করছেন। ছেলে বুড়ো তরুণী গৃহিনীরা তো আছেনই, খেটে খাওয়া কুলি মজুররাও পর্যন্ত সবারই শ্রান্তি দূর করার এ যেন এক জাদুর কাঠি! মুহুর্তেই ক্লান্তি শ্রান্তি দূর করে দ্বিগুণ উদ্যমে কাজ করার শক্তি যোগাতে সবার হাতে হাতে এই পাণীয়ের বোতল।

হ্যাঁ, এনার্জি ড্রিঙ্কসের কথাই বলছি। আপনি কি নিয়মিত এনার্জি ড্রিঙ্কস পান করেন? ভুল করছেন। প্রতিদিন একটু একটু করে মাদকাসক্ত হয়ে উঠছেন আপনি। হয়ে উঠতে পারেন অ্যালকোহলিকও। সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এল এনার্জি ড্রিঙ্ক নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

আরও পড়ুন  শিল্পী আব্দুল জব্বারের চিকিৎসা: এবার পাশে সানোয়ারা গ্রুপ

সংবাদ সংস্থা এএনআই-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ‘ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড, স্কুল অফ পাবলিক হেলথ’ এর গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, নিয়মিত এনার্জি ড্রিঙ্ক খেলে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি। বিশেষত, ২১-২৫ বছরের ছেলেমেয়েদের মধ্যে এই ধরনের পানীয় পান করার প্রবণতা বাড়ছে। অনেকে মনে করেন, এনার্জি ড্রিঙ্ক পান করলে শরীরে শক্তি উৎপন্ন হয়। এতে করে আপনি অনেক বেশি কাজ করতে সক্ষম হবেন। তবে এই কথাটি মোটেও সত্য নয়, বলছে গবেষণা।

জার্নাল অফ অ্যাডিকশন মেডিসিন এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এনার্জি ড্রিঙ্কসে উচ্চ পরিমাণে ক্যাফেইন থাকার ফলে আমাদের শরীরে কার্ডিয়াক জটিলতা দেখা দিতে পারে। সেই সাথে দাঁত ও হাড়ের সংযোগ ক্ষয়ের বিষয়টি তো আছেই।

তবে এটাই প্রথম নয়, এর আগেও বিভিন্ন রিপোর্টে জানান হয়েছিল, কার্ডিওভাসকুলারে সমস্যা তৈরি করা ছাড়াও এনার্জি ড্রিঙ্ক পান করার ফলে অস্বাভাবিক হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি পেতে পারে। হৃদযন্ত্রের অস্বাভাবিক ক্রিয়ার কারণে এই রোগের নাম দেয়া হয়েছে আট্রিয়াল ফিব্রিলিয়েশন। প্রতিদিন ৩২০ মিলিগ্রাম এনার্জি ড্রিঙ্ক পান করলে এই সমস্যা হতে পারে। অতিরিক্ত ক্যাফেইন এর ফলে হৃদযন্ত্রে সমস্যা হবার পাশাপাশি বমি এবং পেটের বিভিন্ন সমস্যাও দেখা যায়।

আরও পড়ুন  'সীতাকুণ্ড ডিজিজ' আতঙ্ক: ৯ শিশুর মৃত্যু, ৪৬ হাসপাতালে
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।