ওবায়দুল কাদের প্রসঙ্গে কদর্য মন্তব্য করে ফের ভোল পাল্টালেন মহিলা আ.লীগ নেত্রী!

0

মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহানা মিলি আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নৈতিকতা বিষয়ে একটি কদর্য মন্তব্য করেছেন। তার স্ট্যাটাসটি নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর তিনি দ্রুত ভোল পাল্টালেন। উল্টো সংবাদকর্মীদের দায়ী করে তিনি লিখেছেন-

এই নিউজটি ভুল, এটি জেলার রাজনীতি নিয়ে লেখা স্টেটাস! সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক জনাব ওবায়দুল কাদের ভাই অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন মনের একজন মানুষ! সকলের শ্রদ্ধেয়, আমি এই স্টেটাসের শিরোনামে মর্মাহত! জনাব সম্পাদক আপনি নিশ্চয় সঠিক পরিবারে জন্মাননি, আপনার জন্ম সঠিক হলে সংবাদ নিয়ে মিথ্যাচার করতেন না!

আজ শনিবার সকালে ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তিনি যা লিখেছেন তা হুবহু ‍তুলে ধরা হলো–

আরও পড়ুন  চাপ দিয়ে লাভ নাই, চাপের কাছে আমি নতি স্বীকার করি না: শেখ হাসিনা

আজ শনিবার সকালে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসে এমন বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি যা লিখেছেন তা হুবহু ‍তুলে ধরা হলো–

“রাজনীতি বুঝুক না বুঝুক, সেক্সনীতি বুঝলেই বাপের বয়সী সাধারণ সম্পাদকের কোলে বসে ফুরতি করাটাই রাজনীতিতে পদবী পাওয়ার কাজ দেবে! শিক্ষিত না হলে দোষ নাই, একাধিক নেতা আর ব্যবসায়ীদের শারিরিক সুখ দিতে পারলেই পদবী পাওয়া যাবে! মঞ্চে দাঁড়িয়ে দুই চারটা রাজনৈতিক ভালো কথা বলতে না পারলে ও হোটেলে গিয়ে বাচ্চাদের ভঙ্গিমায় প্রেমালাপ করতে পারলেই রাজনীতি হবে! স্বামীর রোজগারে ঠিকমত বাসা ভাড়া আসবে না, কিন্তু জীবন যাপনের স্টাইল লাখ টাকার বাজেটে করতে পারাটাই রাজনৈতিক স্বার্থকতা তাদের জন্যে!

বেশামাল শরীরে অশালীন পোষাকে রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সেইসব নোংড়া ছবি তুলে ফেইজবুকে না নিয়ে এলে তাদের ফেইজবুক অচল হয়ে পড়ে! তাদের আপত্তিকর পোষাকে না দেখলে হয়ত, স্থানীয় বড়পদের বাপদের পেটের ভাত হজম হয়না! শারিরিক বেসামাল গড়ন আর অশালীনতা যেন তাদের দেহব্যবসার বিশেষ পণ্যবস্তু। নিজের সন্তান কে কাজের লোকের কাছে রেখে রাজনীতির নামে সারাদিন বেশ্যাবৃত্তি করাটাই তাদের কাজ!

পরিবারে নেই কোন জবাবদিহি, তাই যাচ্ছেতাই করা যায়। তাছাড়া বড় বান্ডেল দেখলে আয়বিহীন পরিবারের বাপ-মায়ের চোখে অসৎ মেয়ের গোলাপী চরিত্র সকল অপরাধ ই ম্লান করে দেয়! জানতে ইচ্ছে করে যদিও তাদের বাপ-মা কি তবে বেশ্যা ছিলেন??? তবুও না জেনে বুঝার বাকি থাকেনা যে, বেশ্যা না থাকলেও নিজের মেয়ের বেশ্যাবৃত্তি কে রাজনীতির সার্টিফিকেট দিতেই বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন মূর্খ, অশিক্ষিত আর অবুঝ বাপ-মা!!

এটাই তাদের জীবন,,,,,,
তারা এভাবেই চলে,,,,,,
তারা এমনি,,,,,,

কারণ???
খুব সহজ, স্থানীয় এমপি আর রাজনৈতিক বড় পদের মালিকদের সাথে তাদের গোলাপঝরা শখ্যতা! After all, তাদের ইয়াবা আর মাদক ব্যবসা এবং রাজনৈতিক পদ বেচে দেহব্যবসা সফল করতে ও সচল রাখতে এইসব পদবী আর বয়সে আব্বারা ই ত একমাত্র সহায়ক!

———*-ফারহানা মিলি”

মিলির স্ট্যাটাসের নিচে অনেকে তাদের নিজ নিজ এলাকার আওয়ামী লীগ নেতাদের নোংরামি নিয়ে কথা বলেছেন।

তথ্যসূত্র: মনিটরবিডি

Spread the love
  • 13
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    13
    Shares

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।